• ‘বাংলার সমস্যা ইউনিক’, SIR মামলায় মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের, প্রথম দফার নির্বাচনী কেন্দ্রের লিস্টকে গুরুত্ব
    এই সময় | ২৪ মার্চ ২০২৬
  • সোমবার রাতে সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশিত হয়েছে। তাতে ২৯ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি হয়েছে বলে নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India) সূত্রে খবর। এখনও ৩১ লক্ষ নামের ঝাড়াই বাছাই বাকি। এ দিকে নির্বাচন এগিয়ে আসছে। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার বাংলার SIR-এর (Special Intensive Revision) সমস্যা একেবারে ‘ইউনিক’ বলে মন্তব্য করল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। এ দিন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, ‘বাংলার সমস্যা ইউনিক, অন্য রাজ্যের সমস্যাও আলাদা।’ আগামী ১ এপ্রিল মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে।

    ৩১ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি হয়নি। অথচ ৬ এপ্রিল প্রথম দফার ভোটের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। এখনই ৬টি রাজনৈতিক দলের ১৪ জন প্রার্থীর নাম অ্যাজুডিকেশন তালিকায় রয়েছে। দ্রুত নিষ্পত্তি না হলে তাঁরা কেউ মনোনয়ন জমা দিতে পারবেন না। এই অদ্ভুত পরিস্থিতি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলিকে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে আলোচনা করার পরামর্শ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি।

    প্রয়োজনে জুডিশিয়াল অফিসাররা যাতে প্রতিদিনই সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করেন, সেই আবেদনও কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী ডি শেষাদ্রি নাইডু। এই প্রসঙ্গে বিচারপতি বাগচী বলেন, ‘যে কেন্দ্রগুলিতে আগে নির্বাচন হবে, সেখানকার ভোটারদের নথি আগে যাচাই করা হোক।’

    এই প্রসঙ্গে জুডিশিয়াল অফিসারদের উপরে অমানবিক চাপ পড়ছে বলেও মন্তব্য করেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী। তিনি বলেন, ‘৪৫ দিনের মধ্যে ৬০ লক্ষ নাম নিষ্পত্তি করতে হবে। এটা অমানবিক কাজ।’ একই সঙ্গে তাঁর মন্তব্য, ‘বাংলার সমস্যা ইউনিক, অন্য রাজ্যের সমস্যাও আলাদা।’ তবে সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট বা এই সংক্রান্ত সমস্যা পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া অন্য কোথাও দেখা যায়নি বলেও মন্তব্য করেন বিচারপতিরা। প্রধান বিচরপতি সূর্যকান্ত বাগচি বলেন, ‘অন্য অনেক রাজ্যে পশ্চিমবঙ্গের থেকে অনেক বেশি নাম বাদ গিয়েছে।’

    তবে শুধু নাম বাদ গিয়েছে তাই নয়, ভোটার সংখ্যাও বেড়েছে বলে মন্তব্য করেন বিচারপতিরা। সেই প্রসঙ্গেই এ দিন আদালতে ডেট অফ ফ্রিজিং ইলেক্টোরাল রোলের (নির্বাচনের আগে একটি নির্দিষ্ট তারিখ, যার পরে আর ভোটার তালিকায় নতুন নাম যোগ, সংশোধন বা বাদ দেওয়ার কাজ করা হয় না) সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন জানান আইনজীবী মানেকা গুরুস্বামী। এই বিষয়ে বিবেচনা করে দেখা হবে বলে জানান প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। তিনি বলেন, ‘এটা আমরা অবশ্যই বিবেচনা করব।’

  • Link to this news (এই সময়)