• ভোট দিতেই পারেননি, জেলাশাসককে সামনে পেয়ে অভিযোগ ভোটারের
    এই সময় | ২৫ মার্চ ২০২৬
  • সবাই যাতে নির্বিঘ্নে এবং শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট দিতে পারেন তা নিশ্চিত করতে চাইছে জেলা প্রশাসন। এলাকায় ঘুরছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরা। রুট মার্চ করার পাশাপাশি মানুষের মনে থাকা ভয় ভাঙিয়ে তাঁদের আস্থা অর্জন করছেন তাঁরা। তবে শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরাই নন, ভোটারদের আশ্বস্ত করতে এলাকায় ঘুরছেন পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) জেলাশাসক শ্বেতা আগরওয়াল-ও। জেলা পুলিশ সুপার সায়ক দাসকে সঙ্গে নিয়ে বর্ধমান শহরের একাধিক এলাকায় ঘুরেছেন তিনি।

    মঙ্গলবার, সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করার সময়েই তিনি শুনতে পেলেন, এক দম্পতিকে ভোট দিতে দেওয়া হয়নি। জেলাশাসককে (District Magistrate) সামনে পেয়ে এক অভিযোগ করেন এক ভোটার। তবে, এ বার কোনও রকম সমস্যা এবং ওই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না বলেও আশ্বাস দিয়েছেন জেলাশাসক।

    গত নির্বাচনের সময়ে পূর্ব বর্ধমান জেলার অন্তত ৩৫০টি জায়গা ভোট নিয়ে অভিযোগ এসেছিল। চলতি বছরের বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election) সময়ে যাতে একটাও অভিযোগ না আসে তা নিশ্চিত করতে চাইছে পূর্ব মেদিনীপুরের প্রশাসন। এই জন্য এখন থেকেই এরিয়া ডমিনেশন করার পাশাপাশি ভোটারদের আস্থা ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু হয়েছে।

    পূর্ব বর্ধমানের পুলিশ সুপার (Police Super) জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই জেলায় এসেছে ২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। তাদের বিভিন্ন এলাকায় কাজে লাগানো হয়েছে। চলতি মাসেই আসছে আরও ১২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। তাদেরকেও কাজে লাগানো হবে। গত নির্বাচনে যে সমস্ত এলাকা থেকে অভিযোগ এসেছিল সেখানে বাড়তি নজর দেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন পুলিশ সুপার।

    আর এরই মধ্যে, খোদ বর্ধমান (Burdwan) শহরেই ভোট দিতে না পারার অভিযোগ শুনতে হলো জেলাশাসককে।

    মঙ্গলবার বর্ধমান শহরের মিঠাপুকুর,আফতাব অ্যাভিনিউ রোড,নার্স কোয়াটার্স সহ একাধিক এলাকার ভোটারদের সঙ্গে কথা বলেন পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক শ্বেতা আগরওয়াল। ভোট দিতে তাঁদের কোন সমস্যা হবে না আশ্বস্ত করেন তিনি। কোনও সমস্যা হলে টোল ফ্রি নাম্বার ১৯৫০-এ ফোন করলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবেও জানিয়েছেন জেলাশাসক।

    এই আশ্বাস দেওয়ার সময়েই সাধনা পাঠক নামে এক ভোটার সরাসরি অভিযোগ জানান জেলাশাসকের কাছে। ২০২৪ সালে তাঁকে এবং তাঁর স্বামীকে ভোট দিতে দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে কারা ভোট দিতে দেয়নি সেই কথা বলেননি তিনি। যারা বাধা দিয়েছিল তাদের নাম বলতে তাঁর ঘরে ভাঙচুর হবে বলেও আশঙ্কা করেন তিনি।

    এই বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন জেলাশাসক। ওই ভোটার এ বার নিশ্চিন্তে ভোট দিতে পারবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

  • Link to this news (এই সময়)