বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যরা। সেই যোগদানের ২৪ ঘন্টার মধ্যেই বিজেপি ছেড়ে আবার তৃণমূল কংগ্রেসেই ফিরলেন তাঁরা।
মঙ্গলবার দুপুরে বিজেপিতে যোগদানকারী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষজনের হাতে তৃণমূলের দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে এই যোগদান করান ঝাড়গ্রাম (Jhargram) বিধানসভার তৃণমূলের প্রার্থী মঙ্গল সোরেন ও ঝাড়গ্রামের সাংসদ কালীপদ সোরেন।
সোমবার রাতে রাধানগরে নির্বাচনী প্রচার করে বিজেপি (BJP)। সেই সময়েই রাধানগরের প্রায় ১০ জন বাসিন্দা বিজেপিতে যোগদান করেন। তাঁদের হাতে বিজেপির দলীয় পতাকা তুলে দিয়েছিলেন ঝাড়গ্রাম বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী লক্ষ্মীকান্ত সাউ। সেই যোগদানের ২৪ ঘন্টা সময় অতিক্রান্ত হওয়ার আগেই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে (Trinamool) যোগদান করায় উচ্ছ্বাসিত রাজ্যের শাসক শিবির।
বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলের যোগদানের সময় উপস্থিত ছিলেন বিনপুর ১ নম্বর ব্লক তৃণমূলের ব্লক সভাপতি তারাচাঁদ হেমব্রম, রাধানগর অঞ্চল তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি বিদ্যুৎ ঘোষ-সহ অন্যান্যরা।
বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদানের পর রাধানগরের বাসিন্দা শেখ আমজাদ আলি বলেন,‘ভুল বুঝে বিজেপিতে চলে গিয়েছিলাম। আজ আবার তৃণমূলে যোগদান করলাম।’
মঙ্গল সোরেন বলেন, ‘এখানকার সংখ্যালঘু ভাইদের ভুল বুঝিয়ে বিজেপিতে যোগদান করানো হয়েছিল। ২৪ ঘন্টা সময় অতিক্রান্ত হওয়ার আগেই তাঁরা নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে উন্নয়নের স্বার্থে তৃণমূলে (Trinamool Congress) যোগদান করেছেন।’
যদিও বিজেপির অভিযোগ, ভয় দেখিয়ে তাঁদের তৃণমূলে যোগদান করানো হয়েছে। এলাকার বিজেপি নেতা রঞ্জিত ভকত বলেন, ‘সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষরা স্বেচ্ছায় যোগদান করেছিল বিজেপিতে। তৃণমূল তাঁদের ভয় দেখিয়ে নিজের ক্ষমতা জাহির করতে সংখ্যালঘুদের জোরপূর্বক তৃণমূলে যোগদান করানো হয়েছে।’ নির্বাচনে ওই মানুষরা বিজেপির পাশে থাকবেন বলেও দাবি তাঁর।