এই সময়, কালিয়াগঞ্জ: ইস্তফা দিয়ে রাত পোহাতেই তা প্রত্যাহার করে নিলেন কালিয়াগঞ্জ পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার সোমা চৌধুরী দেব। স্বামীর অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে সোমবার পুরপ্রধানের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। কিন্তু মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিক বৈঠক করে সেই ইস্তফাপত্র প্রত্যাহার করে নেন।
সোমবার কাউন্সিলার পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে সোমা বলেছিলেন, 'অসুস্থতার কারণে আমার স্বামী বিজন দেব দলের কাজ সে ভাবে করতে পারছেন না। পাশাপাশি, বিভিন্ন ক্ষেত্রে দলীয় নেতৃত্বে সহযোগিতা পাচ্ছি না। তাই আমি পুরপ্রধানের কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছি।' এই ঘটনার এক রাত কাটতেই মঙ্গলবার দুপুরে ব্লক তৃণমূল কার্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠক করে সেই পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করে নেওয়ার কথা জানান তিনি। কালিয়াগঞ্জ বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী নিতাই বৈশ্যকে পাশে নিয়ে সোমা বলেন, 'গতকাল একটা সমস্যার কারণে দল ছাড়তে চেয়েছিলাম। কিন্তু আজ জেলা নেতৃত্ব আমাকে ফোন করে আশ্বাস দিয়েছে। পাশাপাশি অন্য নেতৃত্বরা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে সমস্যা সমাধান করার আশ্বাস দিয়েছে। জেলা নেতৃত্বের উপর আস্থা রেখে আমি ইস্তফাপত্র প্রত্যাহার করেছি।'
এ বিষয়ে কালিয়াগঞ্জ পুরসভার পুরপ্রধান বিশ্বজিত কুণ্ডু বলেন, 'জল জমাকে কেন্দ্র করে কাউন্সিলারের স্বামীর সঙ্গে পুরসভার এক অস্থায়ী কর্মীর কথা কাটাকাটি হয়। সেই অভিমানেই তিনি পদত্যাগ করেন। রাতেই ওঁর বাড়ি গিয়ে কথা বলে অভিমান ভাঙানো হয়। এরপর তিনি পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করেন। পাশাপাশি ওই অস্থায়ী কর্মীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।' তৃণমূল প্রার্থী বলেন, 'নিজেদের মধ্যে একটা ভুল বোঝাবুঝির কারণে একটা সমস্যা হয়েছিল। তা মিটে গিয়েছে। কাউন্সিলার ম্যাডাম ইস্তফাপত্র প্রত্যাহার করেছেন।'