• আমদানি নির্ভরতা কমানোই লক্ষ্য, ইথানল থেকে বিকল্প জ্বালানি তৈরির ভাবনা
    এই সময় | ২৫ মার্চ ২০২৬
  • এই সময়: দেশে জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা এবং আমদানি নির্ভরতা কমানোর লক্ষ্যে এ বার রান্নার জ্বালানি হিসেবে ইথানল ব্যবহারের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার ডাক দিল তেল শিল্পক্ষেত্রের সংগঠন ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান পেট্রোলিয়াম ইন্ডাস্ট্রি (ফিপি)। মঙ্গলবার শিল্পমহলের উদ্দেশে এই বার্তা দেন সংগঠনের ডিরেক্টর (ডাউনস্ট্রিম) আর এস রবি।

    এ দিন অল ইন্ডিয়া ডিস্টিলার্স' অ্যাসোসিয়েশন (এআইডিএ)-এর এক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, 'তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)-এর বিকল্প হিসেবে ইথানলকে ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে পারলে দেশের জ্বালানি ব্যবস্থায় বড় ধরনের বদল আনা যেতে পারে।' ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে এলপিজি ইক্যুইপমেন্ট রিসার্চ সেন্টার এবং বিভিন্ন ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে (আইআইটি) ইথানলচালিত রান্নার স্টোভ তৈরির উপরে জোরকদমে গবেষণা চলছে। এই স্টোভগুলি আরও কার্যকর ও নিরাপদ করে তোলার লক্ষ্যে একাধিক প্রোটোটাইপ তৈরির কাজ শেষ পর্যায়ে বলে তিনি জানান।

    তবে এ ক্ষেত্রে প্রযুক্তি উন্নয়নই যথেষ্ট নয়, বরং সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে তিনি মেনে নিয়েছেন।

    দেশে ইতিমধ্যেই সফলতার সঙ্গে ২০% ইথানল মিশ্রিত পেট্রল বা ই ২০ পেট্রল ব্যবহার শুরু করা হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই রান্নার জ্বালানি হিসেবে ইথানলের ব্যবহারের উপরে জোর দিতে চাইছে তেল সংস্থাগুলি।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ইথানলভিত্তিক রান্নার জ্বালানি গ্রামীণ ও আধা-শহুরে অঞ্চলে এলপিজি-র উপরে চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে।

    পিডিএস-এ বিতরণ করা চালের মধ্যে ভাঙা চালের পরিমাণ বর্তমান ২৫% থেকে ১০% আনার প্রস্তাব শিগগিরই মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় খাদ্য সচিব সঞ্জীব চোপরা। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে বছরে প্রায় ৯০ লক্ষ টন ভাঙা চাল অতিরিক্ত পাওয়া যাবে, যা ইথানল উৎপাদনে ব্যবহার করা সম্ভব হবে।

  • Link to this news (এই সময়)