যৌনশক্তি বাড়াতে ১৫ লক্ষ টাকা কেজির মধু! মহারাষ্ট্রের ‘ধর্ষক বাবা’র কীর্তিতে থ তদন্তকারীরা
প্রতিদিন | ২৫ মার্চ ২০২৬
তুরস্কের গুহার অভ্যন্তরে ১৮০০ মিটার গভীরে অবস্থিত মৌচাকের মধু! যা খেলে যৌনশক্তি বাড়বে দারুণ ভাবে। সেই মধুই কেজি প্রতি ১৫ লক্ষ টাকা দামে বিক্রি করতেন মহারাষ্ট্রের ‘ধর্ষক বাবা’! জ্যোতিষচর্চার অন্তরালেই তন্ত্রের ফাঁদে ফেলে একের পর এক মহিলাকে ধর্ষণে অভিযুক্ত জ্যোতিষী অশোক খারাতের ‘কীর্তি’তে বিস্মিত তদন্তকারীরা।
এই মধুকেই অশোকের সঙ্গে ‘হাই প্রোফাইল’ মক্কেলদের যোগাযোগের ‘মিসিং লিঙ্ক’ হতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। জানা যাচ্ছে, ভয় ও কুসংস্কারকে কাজে লাগিয়েই সকলকে ‘হাত’ করতেন তিনি। পাশাপাশি এই মহার্ঘ মধুও প্রলোভন দেখানোর জন্য ব্যবহার করা হত বলে মনে করা হচ্ছে।
তদন্তকারীদের দাবি, বহু রাজনীতিবদ ও সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা যৌনশক্তি ও শারীরিক দুর্বলতা কাটিয়ে দেওয়ার জন্য আর্জি জানাতেন অশোকের কাছে। আর তখনই এই ‘রহস্যময় মধু’ তাঁদের দিতেন তিনি। বিনিময়ে নিতেন অবিশ্বাস্য অঙ্কের মূল্য! যদিও বাজারের দর বলছে ওই মধুর দাম কেজি প্রতি ৯ লক্ষ টাকা। কিন্তু অশোক সেটাই আরও অনেক বেশি দামে বিক্রি করতেন। পাশাপাশি এও দেখা হচ্ছে, সত্যি মধুর কথা বলে অশোক ‘জাল মধু’ বিক্রি করতেন কিনা!
পুলিশের দাবি, ৬৭ বছরের অশোক নিজেকে অবসরপ্রাপ্ত নৌসেনা অফিসার বলে দাবি করতেন। তাই নিজেকে পরিচয় দিতেন ‘ক্যাপ্টেন’ হিসেবে। ব্যক্তিগত সমস্যার সমাধান করে দেওয়ার দাবি জানিয়ে মহিলাদের তিনি নিজের অফিসে ডেকে আনতেন। তারপর সম্ভবত তাদের কোনও মাদক খাইয়ে ধর্ষণ করতেন বলেই অভিযোগ। পাশাপাশি সবটাই রেকর্ড হয়ে যেত ঘরে লাগানো সিসিটিভি ক্যামেরায়। পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে একটি পেন ড্রাইভ পেয়েছে। তার ভিতরে নাকি ৫৮ জন মহিলার সঙ্গে জ্যোতিষী বাবাজির ‘অপকীর্তি’ ধরা পড়েছে। সেই সঙ্গেই তাঁর বহু ‘হাই প্রোফাইল’ মক্কেলও ছিল বলে জানা গিয়েছে।