• বিচারাধীনের তালিকায়, ঝুলেই ১৪ প্রার্থীর ভাগ্য
    বর্তমান | ২৫ মার্চ ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: স্রেফ নন্দিনী চক্রবর্তীর মতো রাজ্যের শীর্ষস্তরের আমলাই নন। নির্বাচন কমিশনের ‘কর্ম কুশলতা’য় একটি রাজনৈতিক দলের ১৪ জন প্রার্থীর নামও রয়েছে অ্যাডজুডিকেশন নামক আতশকাচের নীচে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষদিনের আগে যদি তাঁদের নামের নিষ্পত্তি না হয়, তাহলে কী হবে? মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর মামলায় এই প্রশ্ন তুললেন আবেদনকারী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান। যা শুনে সুপ্রিম কোর্টও উদ্বেগ প্রকাশ করল। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীকে পাশে নিয়ে দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বললেন, এক্ষেত্রে ওই প্রার্থীরা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি অথবা বিবেচনার কাজে যুক্ত বিচারপতিদের কাছে গিয়ে এখনই আবেদন করতে পারেন। যাতে তাঁদের নিষ্পত্তি দ্রুত হয়। আশা করি কমিশন এতে আপত্তি করবে না। বরং সহায়তা করবে। 

    যদিও ওই ১৪ জন প্রার্থী কোন রাজনৈতিক দলের, তা স্পষ্ট করা হয়নি। শ্যাম দিওয়ানের ওই আবেদন শুনে প্রথম আবেদনকারী মোস্তারি বানুর আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্য বলেন, স্রেফ রাজনৈতিক দলই বা কেন, নির্দল কোনো প্রার্থীর ক্ষেত্রেও যদি এ ধরনের সমস্যা হয়, তাহলে তাঁদেরও সুযোগ পাওয়া উচিত। যদিও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর মন্তব্য, ওটা পরে হবে। আগে রেকগনাইজড রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের সমস্যা মিটুক। পরে আনরেকগনাইজড, নির্দল ইত্যাদি। আদালতের কাছে আবেদন করলে সেই মতো অনুমতি দেব। 

    অন্যদিকে, এদিন শুনানিতে প্রধান বিচারপতির শ্লেষাত্মক মন্তব্য, ১২ রা঩জ্যে  এসআইআর হচ্ছে, কিন্তু শুধুমাত্র পশ্চিমব঩ঙ্গেই সমস্যার কথা শুনতে হচ্ছে। বাংলায় জুডিসিয়াল অফিসাররা রাতদিন এক করে কাজ করছেন। ৩৫ দিনে ৬০ লক্ষ বিবেচনাধীন মামলার নিষ্পত্তি মোটেই সহজ কাজ নয়। তখনই সুযোগ বুঝে মামলার অন্যতম আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, অন্য কোনো জায়গায় যে লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি ছিল না। এটা শুধু বাংলাতেই। এই রাজ্যের ক্ষেত্রেই ভোট ঘোষণার দিনেই মধ্যরাতে মুখ্যসচিবকে সরিয়ে দিয়েছে কমিশন। অন্যত্র নয়। তাই তো আমাদের অন্যতম আরজিই ছিল, তাড়াহুড়ো না করে দু বছর ধরে এসআইআরের কাজ হোক। 
  • Link to this news (বর্তমান)