• মহিলা কোটা আইন: ভোটের পর সর্বদল বৈঠক চেয়ে কেন্দ্রকে চিঠি বিরোধীদের
    বর্তমান | ২৫ মার্চ ২০২৬
  • নয়াদিল্লি (পিটিআই): দেশজুড়ে লোকসভা ও বিধানসভা আসনগুলির সীমানা পুনর্বিন্যাসের আগেই আইনসভায় মহিলা কোটা আইন কার্যকর করতে চাইছে কেন্দ্র। এর জন্য সংসদের চলতি বাজেট অধিবেশনে দু’টি সংশোধনী বিল পেশের পরিকল্পনা নিয়েছে মোদি সরকার। এই ইস্যুতে এবার সর্বদলীয় বৈঠকের দাবিতে সরকারকে চিঠি দিল বিরোধী শিবির। সংসদ বিষয়কমন্ত্রী কিরেন রিজিজুকে লেখা সেই চিঠিতে বলা হয়েছে, মহিলা কোটা আইন বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদ্ধতি ও রোডম্যাপ নিয়ে আলোচনায় সর্বদলীয় বৈঠক ডাকা হোক। তবে একইসঙ্গে বিরোধীদের আরজি, ফলপ্রসূ আলোচনার লক্ষ্যে পাঁচ রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া আগামী ২৯ এপ্রিল শেষ হওয়ার পর ওই বৈঠক হওয়া উচিত। কংগ্রেস সভাপতি তথা রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গের লেটারহেডে লেখা চিঠিতে বিরোধী শিবিরের বিভিন্ন দলের নেতাদের স্বাক্ষর রয়েছে। তবে তাৎপর্যপূর্ণভাবে সেখানে তৃণমূল কংগ্রেসের কোনো নেতার সই নেই।

    বিরোধীদের এই চিঠিতে লেখা হয়েছে, ১০৬তম সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে পাশ হওয়া নারী শক্তি বিধান আইন নতুন করে সংশোধনের পরিকল্পনা করেছে সরকার। সব বিরোধী দল ফের দাবি জানাচ্ছে, প্রস্তাবিত সংবিধান সংশোধন নিয়ে আলোচনার জন্য সর্বদলীয় বৈঠক ডাকুক সরকার। সরকারের কী কী পরিকল্পনা রয়েছে, তা লিখিতভাবে জানানো হোক। ফলপ্রসূ আলোচনার লক্ষ্যে ২৯ এপ্রিল পাঁচ রাজ্যের ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর হোক ওই সর্বদল বৈঠক।

    মঙ্গলবার সকালে সংসদে মল্লিকার্জুন খাড়্গের কক্ষে বিরোধী দলগুলির নেতারা নিজেদের মধ্যে বৈঠক করেন। সেখানে আলোচনার মাধ্যমেই সিদ্ধান্ত হয়, মহিলা সংরক্ষণ আইন নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক চেয়ে সরকারকে চিঠি দেওয়া হবে। বিরোধীদের এই চিঠিতে স্বাক্ষর করেন কংগ্রেস সভাপতি খাড়্গে, সমাজবাদী পার্টির নেতা রামগোপাল যাদব, আপের সঞ্জয় সিং, শিবসেনা (ইউবিটি) সাংসদ সঞ্জয় রাউত ও অরবিন্দ সাওয়ান্ত, সিপিএম নেতা জন ব্রিটাস, সিপিআইয়ের পি সন্দোষ কুমার, এনসিপি (এসপি) নেত্রী সুপ্রিয়া সুলে, জেএমএম সাংসদ মহুয়া ও জবা মাঝি। এড়াছাও বিরোধীদের চিঠিতে স্বাক্ষর রয়েছে আরএসপি, ভিসিকে, আইইউএমএল, সিপিআই (এমএল), ডিএমকে প্রতিনিধিদের।
  • Link to this news (বর্তমান)