• প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার দেনা ২৬ কোটিতে মিটিয়েছেন অনিল আম্বানি
    বর্তমান | ২৫ মার্চ ২০২৬
  • নয়াদিল্লি: শিল্পপতি অনিল আম্বানির মালিকানাধীন কিছু সংস্থার দেনার পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৯৮৩ কোটি টাকা। কিন্তু মাত্র ২৬ কোটি টাকা দিয়ে এই বিপুল বকেয়া ঋণ মিটিয়ে নিয়েছেন তিনি। একাজে ‘প্রকল্পে সহায়তা’র নামে মধ্যস্থতা করেছে ৮টি ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান। সোমবার সুপ্রিম কোর্টে এই তথ্য দিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি এবং বিচারপতি বিপুল পাঞ্চোলির বেঞ্চ গোটা ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ইডির রিপোর্টে বলা হয়েছে, অনিল ধীরুভাই আম্বানি গ্রুপের (এডিএজি) বিরুদ্ধে ৪০ হাজার কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতিতে তদন্ত চলছিল। এর মধ্যে ২ হাজার ৯৮৩ কোটির ঋণ মাত্র ২৬ কোটির বিনিময়ে মিটিয়ে নিয়েছেন অনিল আম্বানি। গোটা প্রক্রিয়া যেভাবে নিষ্পত্তি হয়েছে, তাতে রীতিমতো তাজ্জব সুপ্রিম কোর্ট। ইতিমধ্যে মামলার তদন্তে ধীরগতির অভিযোগ উঠেছে। এই অবস্থায় সোমবার ইডি এবং সিবিআইকে মামলার গতি বাড়াতে নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। তদন্ত দ্রুত, স্বচ্ছ ও পক্ষপাতহীন করার উপর আদালত জোর দিয়েছে। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে মামলার তদন্ত শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

    এই পরিস্থিতিতে সামনে এসেছে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনকে লেখা অনিল আম্বানির চিঠি। ১৭ মার্চ পাঠানো চিঠিতে আদালতের বাইরে ঋণ নিয়ে সমস্ত অভিযোগের নিষ্পত্তি চেয়ে দরবার করেছেন তিনি। তাঁর ঋণ খেলাপের বিষয়টিকে ব্যবসায়িক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিচার করার আরজি জানিয়েছেন তিনি। উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গড়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখার অনুরোধ করেছেন অনিল। এ প্রসঙ্গে স্টারলিং বায়োটেক মামলায় সন্দেসরা ব্রাদার্সকে সুরাহা দেওয়ার উদাহরণ তুলে ধরেছেন তিনি। অনিলের যুক্তি, সন্দেসরা ভাইরা বিদেশে পালানো সত্ত্বেও যদি মধ্যস্থতার সুযোগ পেয়ে থাকেন, তাহলে ভারতে থেকে তিনিও এই সুযোগ পাওয়ার যোগ্য। 
  • Link to this news (বর্তমান)