• প্রার্থীকে চেনেন না ফরওয়ার্ড ব্লক নেতাকর্মীরা, শুরু হয়নি প্রচারও
    বর্তমান | ২৫ মার্চ ২০২৬
  • কাজল মণ্ডল, ইসলামপুর: দুই দশক গোয়ালপোখরে জয়ের মুখ দেখেনি ফরওয়ার্ড ব্লক। তবে প্রতি নির্বাচনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। কিন্তু এবারের মতো অবস্থা কি আগে কখনও হয়েছে?

    দলের এবারের প্রার্থী জুবের আলমকে চেনেন না বলে দাবি করেছে ফব ও সিপিএম নেতৃত্ব ও কর্মীরা। নাম ঘোষণার কয়েক দিন কেটে গেলেও এখনও প্রচারে দেখা মেলেনি প্রার্থীর। প্রশ্ন উঠছে, যাঁকে কর্মীরা চেনেনই না, তিনি কীভাবে ভোটে প্রভাব ফেলবেন? বর্ষীয়ান ফব নেতা তথা জেলা কমিটির সদস্য মর্তুজা হুসেনের সাফ কথা, আমার সঙ্গে এখনও প্রার্থীর পরিচয় হয়নি।

    রাজনৈতিক মহলে আলোচনা, গত নির্বাচনে বামেদের সঙ্গে জোট থাকায় আসনটিতে কংগ্রেস প্রার্থী দিয়েছিল। জোট প্রার্থী প্রায় ২০ হাজার ভোট পায়। এবার ফব’র পক্ষে একা লড়াই খুবই কঠিন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।  প্রার্থী বাছাই নিয়ে রাজ্য নেতৃত্বের ভূমিকার সমালোচনা হচ্ছে বামেদের অন্দরেই। স্থানীয় সিপিএম নেতা তথা জেলা কমিটির সদস্য তহিদুর রহমান বলেন, প্রার্থীকে এখনও দেখিনি। তাঁর সঙ্গে পরিচয়ও নেই। আমরা আগেই নেতৃত্বকে জানিয়েছিলাম এখানে ফব’র সংগঠন নেই। আসনটিতে যেন সিপিএমের প্রার্থী দেওয়া হয়। কিন্তু সেটা শেষ পর্যন্ত হয়নি।

    প্রার্থীর বাড়ি কোথায়, সেবিষয়েও সঠিক কিছু বলতে পারছেন না নেতাকর্মীরা। তৃণমূল প্রার্থী ও বিদায়ী বিধায়ক গোলাম রব্বানি জোরকদমে প্রচার করলেও   ফব প্রার্থীর খোঁজ নেই। এতে হতাশ নেতাকর্মীরা।

    ২০১১ সালের আগে গোয়ালপোখর ও চাকুলিয়া মিলে একটিই বিধানসভা ছিল। ফব’র সেই গড়ে ২০০৬ সালে প্রার্থী হাফিজ আলম সাইরানিকে পরাজিত করে বিধায়ক হন কংগ্রেস নেত্রী দীপা দাশমুন্সি। এর তিন বছরের মাথায় দীপা রায়গঞ্জের সাংসদ হন। ফলে ২০০৯ সালে আসনটিতে উপনির্বাচন হয় এবং ফব প্রার্থী আলি ইমরান রমজ ওরফে ভিক্টর জয়ী হন। ২০১১ সালে গোয়ালপোখর ও চাকুলিয়া পৃথক বিধানসভা কেন্দ্র হয়। ভিক্টর চাকুলিয়া থেকে জয়ী হয়েছিলেন। তারপর থেকে খালি হাতেই ফিরতে হয়েছে দলকে।

    এদিকে ঢাক বাজিয়ে প্রচারে নামলেন ইসলামপুর কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী কানাইয়ালাল আগরওয়াল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পুরসভার ১৪ নং ওয়ার্ডে বাড়ি বাড়ি প্রচার করেন তিনি।
  • Link to this news (বর্তমান)