• ধূপগুড়িতে বিজেপি প্রার্থীর প্রচারে প্রথম সারির নেতাদের অনুপস্থিতি ঘিরে জল্পনা
    বর্তমান | ২৫ মার্চ ২০২৬
  • উজ্জ্বল রায়, ধূপগুড়ি:ধূপগুড়ি বিধানসভায় বিজেপি প্রার্থীর নির্বাচনি প্রচারে জলপাইগুড়ির সাংসদ উপস্থিত থাকলেও দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতার অনুপস্থিতি ঘিরে শুরু হয়েছে জল্পনা। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে বিজেপির অন্দরে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের দাবি করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের দাবি, বিজেপির প্রার্থীকে নিয়ে দলের মধ্যেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। সেই কারণেই জেলার একাধিক প্রথম সারির নেতা প্রচারে অংশ নিচ্ছেন না। যদিও বিজেপি এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। দলের বক্তব্য, প্রত্যেক নেতার মধ্যে আলাদা করে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে এবং তাঁরা নিজ নিজ এলাকায় সংগঠনের কাজ করছেন।

    জানা গিয়েছে,প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই এক সময়ের বিজেপি প্রার্থী তথা রাজ্য কমিটির নেতা আগুন রায়কে প্রকাশ্যে তেমন দেখা যাচ্ছে না। পাশাপাশি বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক মাধব চন্দ্র রায় ও পুরসভার বিরোধী দলনেতা কৃষ্ণদেব রায়কেও নির্বাচনী প্রচারে দেখা যায়নি বলে দাবি তৃণমূলের।

    মঙ্গলবার ধূপগুড়ি সুপার মার্কেট ও সংলগ্ন বাজার এলাকায় প্রচার করেন বিজেপি প্রার্থী। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জলপাইগুড়ির সাংসদ জয়ন্ত রায়। তবে সেখানেও দলের প্রভাবশালী নেতাদের অনুপস্থিতি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। এবিষয়ে কৃষ্ণদেব রায় বলেন, প্রার্থী ঘোষণার দিনই আমার পরিবারের এক সদস্যের নবজাতক সন্তান বর্তমানে ভেন্টিলেশনে রয়েছে। সেই কারণে আমি পরিবারের পাশে রয়েছি। পাশাপাশি আমার ছেলেকেও চিকিৎসার জন্য বাইরে নিয়ে যেতে হবে। তাই পারিবারিক কারণে সরাসরি প্রচারে থাকতে পারছি না।

    অন্যদিকে বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক মাধব চন্দ্র রায় এবিষয়ে মন্তব্য করতে চাননি। আগুন রায় বলেন, তৃণমূল বিভ্রান্তিকর প্রচার চালাচ্ছে। বিজেপির প্রতিটি নেতা ও কর্মী নিজেদের এলাকায় সক্রিয়ভাবে প্রচার করছেন। বিজেপির যুব মোর্চার রাজ্য সহ-সভাপতি সপ্তর্ষি সরকার বলেন, সমস্ত নেতাকে একসঙ্গে প্রচারে থাকতে হবে এমন কোনো নিয়ম নেই। নেতারা তো বটেই একজন সাধারণ কর্মীরাও দলকে জেতাতে মাঠে নেমেছেন। বিজেপির প্রার্থী নরেশ চন্দ্র রায় বলেন, সবাই মিলে প্রচার করছি। ব্যাপক সাড়াও পাচ্ছি।

    অন্যদিকে তৃণমূলের জলপাইগুড়ি জেলা সাধারণ সম্পাদক রাজেশ কুমার সিং বলেন, বিজেপি এমন একজনকে প্রার্থী করেছে যাঁকে তাদের নিজেদের নেতারাই মেনে নিতে পারছেন না। তাই প্রচারে দেখা যাচ্ছে না। গোষ্ঠীকোন্দলের প্রভাবই সামনে আসছে।
  • Link to this news (বর্তমান)