নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: রাজনৈতিক আক্রমণ নয়, বিরোধী প্রার্থীর উদ্দেশে সৌজন্যের বার্তা দিলেন জগদ্দলের তৃণমূল প্রার্থী। তিনি ভরসা রাখলেন উন্নয়নের অস্ত্রে। গুরুত্ব দিলেন প্রচারে। বিজেপি প্রার্থীও দফায় দফায় কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। জগদ্দলের তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন সোমনাথ শ্যাম। তাঁর বিরুদ্ধে বিজেপির ‘বাজি’ অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস অফিসার রাজেশ কুমার। সোমবার জগদ্দলের কর্মিসভায় জগদ্দলের তৃণমূল প্রার্থী সোমনাথ শ্যাম বলেন, অনেক পড়াশোনা করে একজন ছাত্র আইএএস বা আইপিএস অফিসার হন। মেধা না থাকলে আইএএস, আইপিএস অফিসার হওয়া যায় না। জগদ্দলে আমার বিরুদ্ধে একজন আইপিএস অফিসার প্রার্থী হয়েছেন। আমি তাঁকে স্বাগত জানাই। কেউ ওঁকে অসম্মান করবেন না। কুকথা বলবেন না, বা কুৎসা করবেন না। মানুষের কাছে যাব উন্নয়নের ফিরিস্তি নিয়ে। গত ৫ বছরে আমি যা কাজ করেছি মানুষের প্রতি আমার সেই ভরসাও বিশ্বাস আছে।
সভায় স্থানীয় সাংসদ তথা দমদম বারাকপুর তৃণমূলের সাংগঠনিক জেলা সভাপতি পার্থ ভৌমিক দলীয় কর্মীদের সতর্ক করে বলেন, অনেক ধরনের প্ররোচনা আসবে। কেউ ফাঁদে পা দেবেন না। প্রয়োজনে মার খান। পালটা মারবেন না। দল আপনার চিকিৎসার খরচ দেবে। ২৯ এপ্রিল যেতে দিন। সুদে আসলে উসুল হয়ে যাবে। এরপর তিনি দাবি করেন, জগদ্দলে যিনি বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন, ভোটের দুদিন আগে তাঁর সম্পর্কে সব তথ্য ফাঁস করব। জনসংযোগ বাড়াতে দলীয় কর্মীদের বাড়ি বাড়ি যাওয়ার বার্তা দেওয়া হয়। রাজ্য সরকারের প্রকল্প সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে বোঝানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ভোট প্রস্তুতিতে খামতি রাখতে চাইছেন না গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী রাজেশ কুমারও। তিনি বিজেপি নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করছেন। যদিও বাড়ি বাড়ি যাওয়া শুরু করেননি। তিনি বলছেন এখানে পানীয় জল, রাস্তাঘাট, জল নিকাশির নানা সমস্যা রয়েছে। রয়েছে দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্য। রাজেশ দাবি করেন, যেখানে যাচ্ছি কর্মীদের কাছ থেকে সাড়া পাচ্ছি। নরেন্দ্র মোদির আদর্শকে মানুষ গ্রহণ করছে। মানুষের উৎসাহ দেখে আমি অভিভূত। এখানে পরিবর্তন হচ্ছেই।