রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিটি রাজনৈতিক দলই ভোটার প্রচার শুরু করে দিয়েছে। রাজ্যের প্রধান তিন দল, তৃণমূল কংগ্রেস বিজেপি এবং বামফ্রন্টের পক্ষ থেকে প্রায় সব আসনের প্রার্থীও ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে। চলছে জোর কদমে ভোট প্রচারও। এরই মধ্যে বুধবার হুমায়ুন কবীরের দল আম জনতা উন্নয়ন পার্টির সঙ্গে জোট বেঁধে আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে লড়ার কথা ঘোষণা করলেন এআইমিম প্রধান আসাদুদ্দিন ওয়েইসি। একনজরে দেখে নেওয়া যাক বুধবার কোন কোন খবরে সরগরম রইল রাজ্যের রাজনৈতিক মহল:
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ‘হটস্পট’ নন্দীগ্রাম। বুধবার সেখানে কর্মিসভা করে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের ‘পেপ টক’ দিলেন দলের 'সেনাপতি' অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কর্মীদের উদ্দেশে অভিষেকের বার্তা, ‘এ বার নন্দীগ্রামকে অপবিত্র থেকে পবিত্র করার লড়াই।’
বিধানসভা ভোটে জোট ঘোষণা হুমায়ুন কবীরের আম জনতা উন্নয়ন পার্টি (AJUP) ও আসাদউদ্দিন ওয়েইসির অল ইন্ডিয়া মজলিশ-ই-ইত্তেহাদ-উল-মুসলিমিন বা AIMIM-এর। বুধবার কলকাতায় বসেই এই জোট ঘোষণা করেন তাঁরা। জানান, এ রাজ্যে ১০টি আসনে প্রার্থী দেবে AIMIM। প্রার্থী দেবে মুর্শিদাবাদ, মালদা, বীরভূম, উত্তর দিনাজপুর, পশ্চিম বর্ধমানে।
পরণে গেঞ্জি আর হাফপ্যান্ট। বুধবার সকালে প্রায় ১২ কিলোমিটার দৌড়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাস্থলে পৌঁছলেন তৃণমূল প্রার্থী রামজীবন মান্ডি। পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়ি বিধানসভায় এ বারের তৃণমূল প্রার্থী পেশায় শিক্ষক, একজন ক্রীড়াবিদও। তিনি দীর্ঘ পথ দৌড়ে পৌঁছলেন অভিষেকের সভাস্থলে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, প্রিসাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার, কাউন্টিং পার্সোনেল, মাইক্রো অবজ়ার্ভার ও ভোটের সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য আধিকারিকের সাম্মানিক বাড়ছে। ভোট কর্মী, পুলিশ কর্মী, ভ্রাম্যমাণ টিমের সদস্য, হোম গার্ড-সহ আর যাঁরা ভোটের কাজে রয়েছেন, তাঁদের টিফিনের জন্য বরাদ্দও বাড়িয়ে ১৫০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা।
ভোটের আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কড়া অবস্থান নির্বাচন কমিশনের। মুর্শিদাবাদে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য বাংলায় মোতায়েন সাত CAPF জওয়ানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলো। অভিযুক্তদের মধ্যে দু’জনকে প্যারামিলিটারি বিধি অনুযায়ী কেন্দ্রীয় বাহিনীর হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং বাকি পাঁচ জনকে রাজ্যের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।