নির্বাচনের গেরোয় থমকে যেতে পারে নতুন নিয়োগ! কর্মী চেয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ এসএসসি
প্রতিদিন | ২৬ মার্চ ২০২৬
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মানতে ভোটের কাজে তুলে নেওয়া কর্মীদের স্বপদে ফেরাতে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হল স্কুল সার্ভিস কমিশন। তাদের আশঙ্কা, নির্বাচনের গেরোয় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য হতে পারে। এই আশঙ্কা নিয়ে বুধবার হাই কোর্টে মামলার জন্য দৃষ্টি আকর্ষণ করে স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)।
এদিন কমিশনের তরফে হাই কোর্টের বর্ষীয়ান আইনজীবী তথা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসে জানায়, সুপ্রিম কোর্ট এসএসসিকে নতুন নিয়োগ ৩১ আগস্টের মধ্যে শেষ করতে নির্দেশ দিয়েছে। আগে মার্চের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ ছিল। এদিকে এসএসসির সর্বসাকুল্যে কর্মী রয়েছে ৩৫ জন। তার মধ্যে নির্বাচন কমিশন ভোটের কাজে ২৪ জনকে নিয়ে নিয়েছে। এদিকে স্কুলে নিয়োগের জন্য ইন্টারভিউ চলছে। এই অবস্থায় ওই কর্মীদের না ফেরালে সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে নিয়োগ শেষ করা যাবে না।
এসএসসি র আরও দাবি, ওই কর্মীরা স্বশাসিত সংস্থার কর্মী। সেখান থেকে কর্মী নির্বাচনের জন্য তোলা যায় না। আগামী সোমবার মামলার শুনানির আশ্বাস দিয়েছে আদালত।
২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি বাতিল হয়। পাশাপাশি নতুন করে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার জন্য সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছিল।
বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাস এসএসসি জানিয়েছে, স্কুলে শিক্ষক ও অশিক্ষক নিয়োগের জন্য ইন্টারভিউ চলছে। এই অবস্থায় ওই কর্মীদের না ফেরালে সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব নয়। সংস্থার আরও দাবি, তারা একটি স্বশাসিত সংস্থা। তাদের কর্মীরাও স্বশাসিত সংস্থার কর্মী। সেখান থেকে কর্মী নির্বাচনের জন্য নেওয়া যায় না।