সোমবার মধ্যরাতে প্রথম দফার সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। তাতেই ‘শাপমুক্তি’ হয়েছে পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের BJP প্রার্থী কলিতা মাজির। চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় (Voter list) তাঁর নামের পাশে ‘বিচারাধীন’ লেখা ছিল। তবে এখন তিনি বৈধ। একই ভাবে চিন্তামুক্ত হয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী জাকির হোসেন (Jakir Hossain) ও বায়রন বিশ্বাস (Bayron Biswas)। মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর ও সাগরদিঘি কেন্দ্রের বিদায়ী বিধায়ক তাঁরা। এখন তাঁদের বিধানসভা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা দূর হয়েছে। তবে এখনও ‘আন্ডার অ্যাজুডিকেশন’ বা বিচারাধীন উত্তরপাড়ায় তৃণমূল (Trinamool Congress) প্রার্থী শীর্ষণ্য বন্দোপাধ্যায়। তা নিয়ে চিন্তিত তিনি। তবে এখন লড়াইয়ের ময়দান থেকে সরে আসতে নারাজ তিনি।
হুগলির (Hoogly) উত্তরপাড়া (Uttarpara) আসনে তৃণমূল কংগ্রেস এ বার প্রার্থী করেছে সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছেলে শীর্ষণ্যকে। কিন্তু শীর্ষণ্য রয়েছেন ‘আন্ডার অ্যাজুডিকেশন’-এ। সোমবার রাতে সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশ করা হয়। তাতেও ‘বিচারাধীন’ তালিকায় নাম আছে তাঁর। এই নিয়ে নির্বাচন কমিশনের SIR বিষয়ে বিস্ফোরক শীর্ষণ্য বন্দোপাধ্যায়।
মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার জন্য এখনও হাতে সময় আছে। তবে ‘বিচারাধীন’ তালিকায় থাকার কারণে কী করে নমিনেশন জমা দেওয়া হবে তা নিয়ে চিন্তায় দিন কাটছে তাঁর।
এর আগে বাবার হয়ে প্রচারে দেখা গিয়েছে তাঁকে। তবে এ বারই প্রথমবারের জন্য প্রার্থী হয়েছেন শীর্ষণ্য। এত দিন আদালতে লড়াই করেছেন তিনি। এ বার ভোটার তালিকায় নাম তুলতে নিজের জন্যই আদালতে যেতে হবে তাঁকে?
শীর্ষণ্য বলেন, ‘আমার নাম এখন আন্ডার অ্যাজুডিকেশনে রয়েছে। বাংলার হাজার হাজার মানুষের মতো তাই খুব সাধারণ একটা চিন্তা রয়েই যাচ্ছে। এখনও নমিনেশনের দেরি আছে। তাই আশা করা যায় তার মধ্যে নাম চলে আসবে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন বিজেপির হয়ে এই যে মানসিক অত্যাচার করছে সেটা অমার্জনীয়।’
তাঁর দাবি, বিজেপির চক্রান্তেই অনেক বৈধ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে। এখনও ঝুলে রয়েছে অনেকর না। এ রকম চলতে থাকলে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) বিরুদ্ধে রাস্তায় নামতে হবে বা আদালতে যেতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
যদিও নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, বিচারাধীন তালিকায় থাকা নামগুলি দ্রুত নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হচ্ছে।