পরীক্ষকদের থেকে আগেভাগে নম্বর আনাতে উদ্যোগী সংসদ, ভোটের ট্রেনিং শুরু ২৮ মার্চ, উচ্চ মাধ্যমিক নিয়ে চিন্তা
বর্তমান | ২৬ মার্চ ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ভোটের জন্য কর্মীদের প্রশিক্ষণ শুরু হচ্ছে ২৮ মার্চ থেকে। তাই প্রধান পরীক্ষকদের থেকে দ্রুত মার্কস আনিয়ে নিতে চাইছে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। কারণ, ভোটের প্রশিক্ষণ শুরু হয়ে গেলে পরীক্ষক তথা প্রধান পরীক্ষকদের একাংশ তাতেই ব্যস্ত হয়ে পড়বেন। খাতা দেখার কাজ ব্যাহত হবে, যা সময়ে ফলপ্রকাশের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে। সংসদের এক আধিকারিক জানান, এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই সবার কাছ থেকে মার্কস চেয়ে নেওয়া হবে। সেটা করা গেলে সমস্যা হবে না।
সংসদের হাতে ফল আসার পরও বেশ কিছু কাজ বাকি থাকে। তার জন্য একটা সময় ধরে রাখা হয়। ২৭ ফেব্রুয়ারি উচ্চ মাধ্যমিকের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়েছে। আর প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা গ্রহণের জন্য ২৩ মার্চ পর্যন্ত সময় দেওয়া ছিল স্কুলগুলিকে। সেই মার্কস ১ এপ্রিলের মধ্যে পাঠাতে বলা হয়েছে স্কুলগুলিকে। তবে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত পরীক্ষার্থী পিছু ২০০ টাকা ফাইন দিয়ে প্র্যাকটিক্যালের মার্কস পাঠানো যাবে। প্রসঙ্গত, সেমেস্টার পদ্ধতি চালুর পরে এটাই প্রথম উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। বার্ষিক পরীক্ষার নিয়মে গত বছর ৫০ দিনের মাথায় ফলপ্রকাশ করেছিল সংসদ। আর তৃতীয় সেমেস্টারের ফল প্রকাশ করা হয়েছিল ৩৯ দিনের মাথায়। এবার চতুর্থ তথা ফাইনাল সেমেস্টারের লিখিত পরীক্ষা, তৃতীয় সেমেস্টারের ওএমআর ভিত্তিক পরীক্ষা এবং প্র্যাকটিক্যালের নম্বর যোগ করে ফল প্রকাশ করতে হবে। বিষয়টি একটু জটিল। সেক্ষেত্রে সময়ে মার্কস না পেলে সমস্যায় পড়বে সংসদ। ওই আধিকারিক আরও বলেন, ‘অসুস্থতা এবং অনিবার্য কারণ ছাড়া কোনো দেরি মানা হবে না। না হলে ফলপ্রকাশে সমস্যা হবে।’
এদিকে, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে, বার্ষিক পদ্ধতির কোনো পড়ুয়া যদি একাদশের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে থাকে এবং উচ্চ মাধ্যমিকের টেস্টে অনুত্তীর্ণ বা অনুপস্থিত থাকে, তাহলে সে দ্বাদশে সেমেস্টার পদ্ধতিতে আসতে পারবে। অপশন ফর্ম পূরণ করে সংসদে পাঠালে অনুমতি সাপেক্ষে এই সুযোগ পাবে তারা। যদিও বিভিন্ন সমস্যার কারণে খুব বেশি পড়ুয়া এতে আগ্রহী হবে না বলে মনে করছে সংসদ। অন্যদিকে, মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশের জন্য ধাপে ধাপে মার্কস প্রসেসিং করছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। ভোটের জন্য তাদের কোনো অসুবিধা নেই বলেই দাবি করেছেন এক কর্তা।