• প্লাস্টিকের ড্রামে ভরা, বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার যুবকের মৃতদেহ
    বর্তমান | ২৬ মার্চ ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: বড়ো প্লাস্টিকের ড্রামে রাখা বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল হুগলির ভদ্রেশ্বরে। বুধবার ভদ্রেশ্বরের শ্বেতপুরের দিল্লিরোডের ধারে একটি জমি থেকে ওই মৃতদেহ উদ্ধার হয়। স্থানীয়রা প্রথমে বড়ো আকারের জল রাখার কন্টেনার বস্তা দিয়ে মোড়া অবস্থায় দেখতে পান। সন্দেহ হওয়ায় তাঁরা বিষয়টি পুলিশকে জানান। তারপর শ্বেতপুর ফাঁড়ির পুলিশ এসে বস্তার ফাঁস খুলে মৃতদেহ উদ্ধার করে। তবে গোটা ঘটনায় রীতিমতো রহস্য তৈরি হয়েছে। সরেজমিন তদন্তে প্রাপ্ত একাধিক তথ্য রহস্যকে আরও গাঢ় করেছে।

    পুলিশ জানিয়েছে, মৃত যুবকের পরিচয় জানা যায়নি। তবে তাঁর বয়স ৩৫ বছর থেকে ৪০বছরের মধ্যে। যুবককে গলা কেটে খুন করা হয়েছে। তাঁর শরীর পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা হয়েছিল। শরীরের অনেকটা অংশ ঝলসানো অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। মৃতদেহটি একটি নীলরঙের জলের ড্রামের মধ্যে রেখে জালার মুখ প্লাস্টিকের বস্তা দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছিল। মৃতদেহের মাথাটি কন্টেনারের তলার দিকে রাখা হয়েছিল। প্লাস্টিক ব্যাগটি কন্টেনারের সঙ্গে লালরঙের নাইলনের দড়ি দিয়ে বাঁধা ছিল। প্রাথমিক তদন্তের পরে পুলিশের দাবি, মৃতদেহ বাইরে থেকে নিয়ে এসে শ্বেতপুরের চাষের জমিতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। সম্ভবত গলা কেটে খুন করার পরে মৃতদেহ জ্বালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। তা সফল না হওয়াতেই পাচারের ব্যবস্থা করা হয়। রক্তের দাগ এড়াতে মৃতের মাথা কন্টেনারের বন্ধ মুখের দিকে করে রাখা হয়েছিল। তাতে পুলিশের অনুমান, খুনের পরই দ্রুত মৃতদেহ সহ প্রমাণ লোপাটের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তাতে ঘটনার পিছনে একাধিক ব্যক্তির হাত থাকার সম্ভবনা অস্বীকার করছে না পুলিশ। তবে রাত পর্যন্ত বিষয়টি খুন, এনিয়ে নিশ্চিত হওয়া ছাড়া আর কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি পুলিশ। চন্দননগর কমিশনারেটের পুলিশ কর্তার জানিয়েছেন, তদন্ত শুরু করা হয়েছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের পাঠানো হয়েছে। দ্রুত আসল ঘটনা সামনে আনা সম্ভব হবে।-নিজস্ব চিত্র
  • Link to this news (বর্তমান)