• মমতার সভায় অনুব্রত, গরহাজির কাজল, কী হলো বীরভূমে?
    এই সময় | ২৭ মার্চ ২০২৬
  • ঋতভাষ চট্টোপাধ্যায়, বীরভূম

    খয়রাশোলে জনসভা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সেখানে দেখা গেল না বীরভূমের জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখকে। যদিও খয়রাশোলের অনু্ষ্ঠানে ছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। আর তারপরেই শুরু হয়েছে জল্পনা, কেন সভায় কাজল শেখ অনুপস্থিত ছিলেন তা নিয়ে। নরেশ বাউড়ি তৃণমূলের প্রার্থী হওয়ার পরে কাজল শেখকে ‘নতুন সূর্য’ বলে ডেকেছিলেন, তাঁর প্রচার সভাতেই কাজলের অনুপস্থিতি প্রশ্ন তুলেছে।

    বীরভূমে অনুব্রত অনুগামীদের সঙ্গে কাজল অনুগামীদের মধ্যে টানাপড়েন নতুন নয়। এ দিনের সভায় কাজলের না থাকার পিছনে তাহলে কী কারণ রয়েছে? তৃণমূল সূত্রে খবর, এ দিন লোহাপুরে দলীয় বৈঠকে ছিলেন কাজল শেখ। তাই খয়রাশোলের সভায় যাননি তিনি। তৃণমূল সূত্রের খবর, বীরভূম জেলায় প্রায় ৮-১০টি সভা করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই সভাগুলির জন্য বিভিন্ন প্রার্থীদের বিভিন্ন এলাকায় দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। ১ এপ্রিল নানুরের পাপুরিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আসার কথা। ওই সভা আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কাজল শেখকে।

    কাজল বলেন, ‘রাজ্য তৃণমূল থেকে নির্দেশ ছিল প্রতিটি এলাকায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অথবা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সভা করবেন। যে দিন যে এলাকায় সভা করবেন, সেই এলাকার প্রার্থী ছাড়া বাকিরা ইচ্ছেমতো আসতে পারেন, আবার নাও আসতে পারেন। আজ আমি লোহাপুরে দলীয় বৈঠকে ব্যস্ত ছিলাম বলে যেতে পারিনি।’ এ দিন কাজল শেখ ছাড়াও সিউড়ি, মুরারই, নলহাটি, ময়ূরশ্বর, নানুর বিধানসভার প্রার্থীদেরও খয়রাশোলের সভায় দেখা যায়নি।

    এ দিন সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুঝিয়ে দিয়েছেন জেলায় অনুব্রত মণ্ডলই তাঁর ‘প্রধান ভরসা’। সভার শুরুতেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কেষ্ট আমাকে অনেক হেল্প করেছে। বীরভূম জেলাটা ওর নখদর্পণে। দীর্ঘ দিন ধরে জেলা সংগঠনকে যে ভাবে সামলেছে এবং প্রশাসনিক কাজকর্মে সহযোগিতা করেছে, তা দলের পক্ষে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

  • Link to this news (এই সময়)