• দেশে সক্রিয় আইএস-আল কায়েদা বাংলা সহ ৭ রাজ্য থেকে ধৃত ১২
    বর্তমান | ২৭ মার্চ ২০২৬
  • হায়দরাবাদ: লালকেল্লার অদূরে গাড়ি বিস্ফোরণের পরই বোঝা গিয়েছিল, জঙ্গি নেটওয়ার্ক ছড়িয়ে পড়েছে দেশজুড়ে। এবার তার প্রমাণ মিলল অন্ধ্রপ্রদেশ পুলিশের গোপন অপারেশনেও। সাত রাজ্যে অভিযান চালিয়ে কুখ্যাত জঙ্গি সংগঠন আইএস-আল কায়েদার সঙ্গে জড়িত মোট ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে তারা। ধৃতদের মধ্যে একজন পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। তার নাম মীর আসিফ আলি। তার সঙ্গে জঙ্গি সংগঠন আইএসের যোগ রয়েছে বলেই বুধবার দাবি করেছে অন্ধ্র পুলিশ। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, সম্প্রতি বিজয়ওয়াড়ার বাসিন্দা তিন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। জঙ্গি সংগঠন আল কায়েদা ইন ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট (একিউআইএস) এবং আইএসের বিদেশি হ্যান্ডলারদের নিয়মিত যোগাযোগ রাখত তারা। ওই তিনজনকে জেরা করেই দেশজুড়ে জঙ্গি নেটওয়ার্কের হদিশ মেলে। তারপরেই রাজধানী দিল্লি, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, কর্ণাটক, মহারাষ্ট্র, রাজস্থান ও তেলেঙ্গানায়। গ্রেপ্তার করা হয় বাকি অভিযুক্তদের। অন্ধ্রপ্রদেশে ধৃত তিন অভিযুক্তের নাম মহম্মদ রহমতুল্লা শরিফ, মির্জা সোহেল বেগ ও মহম্মদ দানিশ। রহমতুল্লা পেশায় বাইক ট্যাক্সি চালক। সোহেল মার্কেটিং এবং দানিশ রেস্তরাঁয় কাজ করে। তিনজনেই একিউআইএসের হয়ে মৌলবাদী মতাদর্শ প্রচার ও মগজধোলাইয়ের দায়িত্বে ছিল। আগামী মাসে পাকিস্তানে গিয়ে ট্রেনিং নেওয়ার পরিকল্পনাও ছিল তাদের। তদন্তকারী আধিকারিকদের সূত্রে খবর, সোশ্যাল মিডিয়ায় জঙ্গি নেতাদের উস্কানিমূলক ভাষণেই প্রভাবিত হয়েছিল অভিযুক্তরা। তার সুবাদেই আল হাকিম সুকুর নামের এক হ্যান্ডলারের সঙ্গে যোগাযোগ হয় রহমতুল্লার। হাকিমই ওই তিনজনকে নির্দেশ দেয়, বিহারের সাদমান দিলখুশ ও হায়দরাবাদের সাইদা বেগমের সঙ্গে কথা বলার জন্য। পরে ওই নেটওয়ার্কে যুক্ত হয় আইএস ঘনিষ্ঠ ‘বেনেক্স কম’ গ্রুপের আরও সাতজন। তারা হল বাংলার মীর, দিল্লির লাকি আহমেদ, বিহারের আজমানুল্লা খান, রাজস্থানের জিশান, কর্ণাটকের আব্দুল সালাম এবং মহারাষ্ট্রে শাহরুখ খান ও শিয়াক পিয়াজ উর রহমান। প্রত্যেকেই জঙ্গি রিক্রুটের কাজ করত।
  • Link to this news (বর্তমান)