• উত্তরবঙ্গের মাটি থেকে বিজেপিকে নিশানা, ধর্মের রাজনীতিকে ‘দেউলিয়া’ বলে তোপ অভিষেকের
    বর্তমান | ২৭ মার্চ ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি ও সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: রাজনীতির সঙ্গে নেতাদের জড়িয়ে থাকার মূল উদ্দেশ্যই হল মানুষের জন্য কল্যাণ। সেখানে কেন আসবে বিভাজন? ধর্মকে পাথেয় করে যারা রাজনীতির কারবার করে, তারা রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া। এভাবেই উত্তরবঙ্গের মাটি থেকে বিজেপির বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। 

    বৃহস্পতিবার ধূপগুড়ি ও কালচিনি বিধানসভা আসনের প্রার্থীদের সমর্থনে কর্মসূচি করেন অভিষেক। ধূপগুড়িতে ছিল জনসভা। আর কালচিনিতে রোড শো করেন তৃণমূল সেনাপতি। রাজনৈতিক মহলে বলা হয়ে থাকে, উত্তরবঙ্গের মাটিতে তৃণমূল এখন আগের থেকে নিজের রাজনৈতিক জমি অনেকটাই শক্তি করেছে এবং আরো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ঠিক এই আবহে অভিষেকের দুটি কর্মসূচি রাজনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। দুটি কর্মসূচিতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়ের সরকারের উন্নয়নের রিপোর্ট কার্ড পেশ করেন অভিষেক। বিজেপি যেখানে ধর্মের নামে রাজনীতি করছে, সেখানে মমতার সরকার বাংলার সব মানুষের জন্য কীভাবে উন্নয়ন করে চলেছে, সেটাই তুলে ধরেছেন তৃণমূল সেনাপতি। এখানেই অভিষেকের মন্তব্য, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল বিপুল আসনে জিতলে সাধারণ মানুষ নাগরিক পরিষেবা আরো পাবেন। কিন্তু অন্যকোনো দল জিতলে সাধারণ মানুষ সেই নাগরিক পরিষেবা হারাবেন। আচ্ছে দিনের আশায় বিজেপিকে যাঁরা ভোট দিয়েছিলেন, তাঁদের দুর্দিন নেমে এসেছে। ১২০০-১৫০০ টাকায় রান্নার গ্যাস কিনতে হচ্ছে। যাঁরা উন্নয়নের আশায় বিজেপিকে ভোট দিয়েছিলেন, তাঁরা আজ প্রতারিত হয়েছেন। 

    তাঁর সংযোজন, ১২ বছর ধরে কেন্দ্রে মোদি সরকার চলছে। কিন্তু মানুষের বিপদের দিনে বিজেপির কোনো জনপ্রতিনিধিকে খুঁজে পাওয়া যায় না। বহিরাগত বিজেপি কখনোই মানুষের পাশে থাকে না। বছরভর মানুষের পাশে থাকে একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।
  • Link to this news (বর্তমান)