নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: নোয়াপাড়ায় আজও প্রাসঙ্গিক বিকাশ বসু। ২০০০ সালে তাঁকে গুলি করে খুন করেছিল দুষ্কৃতীরা। জনপ্রিয় যুব নেতার মৃত্যুতে ছুটে এসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিকাশ বসুর স্ত্রী মঞ্জু বসুকে পাঁচবার প্রার্থী করেছিল তৃণমূল। তিনবার তিনি জিতেছেন। এবার তৃণমূল তাঁকে প্রার্থী না করলেও বিকাশ বসুর ভাই প্রদীপ বসু ওরফে বাবলাকে তৃণমূল প্রার্থী তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যের চিফ ইলেকশন এজেন্ট করা হল। প্রদীপ বলেন, আমার দাদার রক্তে নোয়াপাড়া তৃণমূল শক্ত ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে। দল যে দায়িত্ব দিয়েছে নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে প্রার্থীকে জেতাব। নোয়াপাড়ায় বিকাশ বসুর সেন্টিমেন্ট আজও অব্যাহত। এবারের বিধানসভা ভোটেও ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে বিকাশ বসু। তৃণমূল এই সেন্টিমেন্টকে প্রচারে তুলে ধরতে তাঁর ভাইকে চিফ ইলেকশন এজেন্ট করেছে। তিনি রাইফেল ফ্যাক্টরিতে চাকরি করতেন। ২০২২ সালে উত্তর বারাকপুর পুরসভার ভোটে তৃণমূলের প্রার্থী হন। বর্তমানে ওই পুরসভার চেয়ারম্যান পরিষদের সদস্য। তৃণমূল প্রার্থী তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য বলেন, বিকাশ বসুর ভাই প্রদীপ বসু ওরফে বাবলা দা আমার ভোট ম্যানেজমেন্টের পুরো কাজ করছেন। বিকাশদার হত্যাকারীদের মানুষ ভুলে যায়নি। এবার ভোটে তার জবাব দেবে। দায়িত্ব নিয়ে প্রদীপ বসু বলেন, বিকাশ বসুর জনপ্রিয়তা শুধু নোয়াপাড়া নয় গোটা উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় ছিল। স্বার্থান্বেষী লোক তাঁকে সরিয়ে দেয়। মানুষ আজও দাদাকে ভোলেনি।