তেল কোম্পানিগুলির চাপ কমানো নাকি নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক ‘গিমিক’, পেট্রল এবং ডিজেলে এক্সাইজ় ডিউটি ১০ টাকা কমানো নিয়ে নানা সম্ভাবনার কথা তুলে ধরছে বিরোধীরা। শুক্রবার নির্বাচনী প্রচার সভা থেকে এক্সাইজ় ডিউটি কমানো নিয়ে কেন্দ্রকে নতুন চ্যালেঞ্জ দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকী, রাজ্যে ভোট মেটার পরে রান্নার গ্যাস ও পেট্রল-ডিজ়েলের দাম বাড়বে বলেও দাবি করেন অভিষেক।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপির বিবেক ময়দানের জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্দেশে অভিষেক বলেন, ‘আপনাদের যদি মানুষকে সত্যিই স্বস্তি দেওয়ার লক্ষ্য থাকে, তা হলে আগামী কাল প্রধানমন্ত্রী-সহ ক্যাবিনেটের সকল মন্ত্রী সাংবাদিক বৈঠক করুন, সেখানে দেশবাসীর উদ্দেশে জানিয়ে দিন, আগামী এক বছর পেট্রল-ডিজ়েলের দাম বাড়ানো হবে না। যদি এই কথা দিতে পারেন, তৃণমূল ২৯১ আসন থেকে প্রার্থী প্রত্যাহার করে নেবে।’
২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গ-সহ চারটি রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। অভিষেকের দাবি, নির্বাচন মিটলেই ফের কেন্দ্রীয় সরকার গৃহস্থের রান্নার গ্যাস ও পেট্রপণ্যের দাম বৃদ্ধি করবে। জনসভা থেকে অভিষেক বলেন, ‘আজকে রান্নার গ্যাসের দাম এক হাজার টাকা, আমার কথা মিলিয়ে নেবেন, বাংলার নির্বাচনের জন্য গ্যাসের দাম বাড়াচ্ছে না। বাংলার নির্বাচন শেষ হলে অর্থাৎ ৩০ এপ্রিল রান্নার গ্যাসের দাম বাড়াবে, পেট্রল-ডিজ়েলের দাম বাড়াবে।’
যদিও বিষয়টি নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘সারা পৃথিবীতে যখন মন্দার আঁচ, তখন একমাত্র আশার আলো ভারতবর্ষ। সাধারণ মানুষের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রী সদর্থক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’