বৃহস্পতিবার সাংবাদিক সম্মেলনে সেলিমের বক্তব্যে তা আরও স্পষ্ট হয়ে যায়। সেলিম জানান, যাঁদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াই, তাঁদেরই সঙ্গে নিয়ে ভোটে নামা গ্রহণযোগ্য নয়। এমনকি দক্ষিণ ২৪ পরগনার সিপিএম নেতৃত্ব স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, প্রার্থী বদল না হলে ক্যানিং পূর্ব কেন্দ্রে তারা বয়কটের পথেও হাঁটতে পারে।
এই পরিস্থিতিতে আইএসএফ চেয়ারম্যান নওশাদ সিদ্দিকি সরাসরি এর পাল্টা জবাব দেন। তিনি স্পষ্ট করে জানান, প্রার্থী নির্বাচন সম্পূর্ণভাবে তাঁদের দলের নিজস্ব বিষয় এবং এতে অন্য কোনও দলের হস্তক্ষেপ তাঁরা মানবেন না। তাঁর কথায়, আইএসএফ কারও নির্দেশে চলবে না এবং কোনও ধরনের ‘মাতব্বরি’ বরদাস্ত করা হবে না।
অন্যদিকে, সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমও নিজের অবস্থানে অনড়। তিনি আগেই বলেছেন, ‘দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধে লড়াই করাই তাঁদের লক্ষ্য, তাই বিতর্কিত কাউকে পাশে নিয়ে লড়াই সম্ভব নয়।’ দুই দলের এই অনড় অবস্থান এখন জোটের ভবিষ্যৎ নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। নির্বাচনের মুখে এই মতবিরোধ জোট রাজনীতিতে নতুন অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দিচ্ছে।