• মুষুলধারে বৃষ্টি কলকাতায়, সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ আর ঝোড়া হাওয়া, ভিজল উত্তর থেকে দক্ষিণও
    এই সময় | ২৮ মার্চ ২০২৬
  • সকাল থেকে প্রবল গরম। তখনই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়ে রেখেছিল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ শুরু হলো মুষুলধারে বৃষ্টি (Heavy Rain)। সঙ্গে এলোমেলো হাওয়া (Gusty Winds) আর মুহুর্মুহু বজ্রপাত (Thunderstorm)। চারপাশ মুহূর্তে সাদা। ভিজল কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ। বৃষ্টি হয়েছে উত্তরেও।

    আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ০.৯ কিলোমিটার উচ্চতায় গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের উপরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। এছাড়া উত্তর-পশ্চিম বিহার থেকে মণিপুর পর্যন্ত একটি অক্ষরেখা (ট্রফ) চলে গিয়েছে। এটি রয়েছে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ, সংলগ্ন বাংলাদেশ ও অসমের উপরে। তার জেরেই এই বৃষ্টিপাত।

    আগামী দুই দিন উত্তরবঙ্গের অধিকাংশ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। ঝড়ের গতিবেগ থাকতে পারে প্রতি ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার জেলায় হতে পারে শিলাবৃষ্টিও।

    দক্ষিণবঙ্গের ছবিটাও একই রকম। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং হুগলি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। সঙ্গে ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বইবে ঝোড়ো হাওয়া। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূমে শিলাবৃষ্টিক সম্ভাবনা রয়েছে। এই জেলাগুলিতে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।

    সমুদ্রেও সতর্কবার্তা জারি হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ ও ওডিশা উপকূলে প্রবল ঝড় এবং বজ্রবিদ্যুতের পূর্বাভাস রয়েছে। এই সময়ে সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে মৎস্যজীবীদের।

  • Link to this news (এই সময়)