চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় (Voter List) তাঁর নামের পাশে লেখা ছিল ‘অ্যাজুডিকেশন’। শোরগোল পড়ে গিয়েছিল বীরভূমের (Birbhum) রাজনীতিতে। গত সোমবার প্রথম দফার সাপ্লিমেন্টারি লিস্টে প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। সেখানেও তাঁর নাম ছিল না। উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছিল। অবশেষে শুক্রবার দ্বিতীয় দফার সাপ্লিমেন্টারি লিস্টে উঠল বীরভূমের হাসন কেন্দ্রের প্রার্থী তথা তৃণমূল নেতা কাজল শেখের নাম (TMC Leader Kajal Seikh)। বিধানসভা ভোটে লড়তে আর কোনও বাধা রইল না তাঁর।
এ দিন দ্বিতীয় দফার সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, এ দিন পর্যন্ত ৩৭ লক্ষ ভোটারের নাম নিষ্পত্তি হয়েছে। বাদ গিয়েছে ৪০ শতাংশ নাম। তবে বৈধ ভোটারদের মধ্যে রয়েছেন কাজল শেখ। উল্লেখ্য, গত সোমবার প্রথম দফার সাপ্লিমেন্টারি লিস্টে ২৯ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি হয়েছিল। এ দিন তার সঙ্গেই আরও ৮ লক্ষ নাম যোগ করে ৩৭ লক্ষের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এখনও ২৩ লক্ষের নামেই ঝাড়াই-বাছাই বাকি।
আগামী ২৩ এপ্রিল হাসন বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচন। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৯ এপ্রিল। ফলে প্রথম দফার সাপ্লিমেন্টারি লিস্টে নাম না থাকায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। অবশ্য সেই সময়ে কাজল বলেছিলেন, ‘এখনও তো সবটা ক্লিয়ার হয়নি। হয়তো দ্বিতীয়বারে আসবে।’ এর মধ্যে কোনও চক্রান্ত নেই বলেও জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। কাজলের কথায়, ‘আমি কোনও চক্রান্ত দেখছি না। চিন্তিতও নই।’
রাজ্যের ছ’টি রাজনৈতিক দলের ১৪ জন প্রার্থীর নাম অ্যাজুডিকেশন বা বিচারাধীন তালিকায় রয়েছে। মঙ্গলবারই সুপ্রিম কোর্টে বাংলা থেকে দায়ের হওয়া SIR সংক্রান্ত মামলার শুনানিতেও এই বিষয়টা উঠেছিল। যে সব প্রার্থীর নামের পাশে ‘বিচারাধীন’ লেখা, তাঁদের কী ভবিষ্যৎ? কারণ, ভোটের প্রচার শুরু হয়ে গিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলি একযোগে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে দেখা করে এই সমস্যা মেটানোর জন্য অনুরোধ করতে পারে।’