এই সময়, মালবাজার: ভোট কর্মীদের প্রশিক্ষণেও 'সার'-এর ছায়া। শুক্রবার রাজ্যে ভোটকর্মীদের প্রথম দফার প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। শনি ও রবিবার পর্যন্ত প্রথম দফার প্রশিক্ষণ চলবে। তার পরে আবার দ্বিতীয় দফার প্রশিক্ষণ শুরু হবে। প্রথম দিনের প্রশিক্ষণে 'সার'-এর 'ডিলিটেড' তালিকার কথা সব থেকে বেশি উঠে এসেছে। প্রশিক্ষকরা জানান, ভোটার তালিকার যে 'মার্কড কপি' প্রিসাইডিং অফিসার এবং ভোটকর্মীদের দেওয়া হবে, সেখানে 'ডি-ভোটার'-দের উল্লেখ থাকবে। প্রয়োজনে 'ডি-ওয়ান' এবং 'ডি-টু' এ ভাবেও উল্লেখ থাকতে পারে। একইসঙ্গে সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকাও দেওয়া হবে।
যাঁদের নাম 'অ্যাজুডিকেশন' বা 'বিচারাধীন' তালিকায় থাকবে, তাঁরা চূড়ান্ত ভাবে ভোট দেওয়ার জন্য গণ্য | হয়েছেন কি না, তা বুঝতে সেই সাপ্লিমেন্টারি তালিকা আবার মিলিয়ে দেখতে হবে। রাজনৈতিক দলের পোলিং এজেন্টদেরও বিষয়টি বুঝিয়ে দেওয়া হবে।
'বিচারাধীন' ছিলেন কিন্তু পরে চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন, এমন ভোটার যদি ভোট দিতে ঢুকে পড়েন সে ক্ষেত্রে কী করণীয়? অনেক ভোটকর্মীই এ দিন এই প্রশ্ন করেন। বলা হয়, তাঁদের ভোটদানের কোনও অধিকার থাকবে না। প্রয়োজনে বুথের বাইরে থেকেই তাঁদের বের করে দিতে হবে। কোনও অবস্থাতেই কোনও ভোটার বুথের ভিতরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম যা যা রয়েছে, তা সর্বদল বৈঠকে বুঝিয়ে দেওয়া হবে বলে জানান এক জেলা পর্যবেক্ষক। তৃণমূলের মালবাজারের প্রার্থী বুলুচিক বড়াইক বলেন, 'নির্বাচন কমিশন সবকিছু নিজেদের মতো করে করতে চাইছে। মানুষ ভোটেই জবাব দেবে।' বিজেপির রাজ্য সম্পাদক বাপি গোস্বামী বলেন, 'মানুষ আমাদের সঙ্গে রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম নিয়ে আমাদের কোনও সমস্যা নেই।'