বাংলাদেশ থেকে স্ত্রীর চিকিৎসা করাতে এসে নিখোঁজ ‘একুশে পদক’ প্রাপ্ত শিল্পীর ছেলে
বর্তমান | ২৮ মার্চ ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় এসেছিলেন ‘একুশে পদক’ প্রাপ্ত শিল্পীর ছেলে ও বউমা। বাগুইআটির কেষ্টপুরে তাঁরা থাকছিলেন। সেখান থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হলেন বাংলাদেশের স্বনামধন্য শিল্পীর ছেলে। এ ব্যাপারে বাগুইআটি থানার দ্বারস্থ হয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। পুলিশ খোঁজ শুরু করেছে। তবে, নিখোঁজের পর দু’সপ্তাহ গড়ালেও বছর ৩৪ ওই যুবকের কোনো খোঁজ মেলেনি। এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, নিখোঁজের ডায়েরি হওয়ার পর বাগুইআটি থানার তরফে তাঁর পাসপোর্ট, ভিসা ও ছবি নিয়ে সমস্ত থানার ওসি এবং আইসিদের কাছে মেসেজ দেওয়া হয়েছে। যাতে কোনো জায়গায় তাঁকে পাওয়া গেলেই জানানো হয়। নিখোঁজ যুবকের নাম সৈয়দ আবদুল্লাহ জোহি। বাংলাদেশের সিলেট জেলার চাঁপাইনবাবগঞ্জ এলাকায় তাঁর বাড়ি। কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য তাঁরা বাংলাদেশ থেকে এসেছিলেন। বাগুইআটির কেষ্টপুর প্রফুল্লকাননে তাঁর এক আত্মীয়ের বাড়ি। সেখানেই তাঁরা উঠেছিলেন। গত ১১ মার্চ ওই বাড়ি থেকে দুপুরে বেরিয়ে যান তিনি। তারপর তাঁকে আর পাওয়া যায়নি। কম ঘুম হলে তাঁর মানসিক সমস্যা হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশকে জানানো হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখে, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে। সর্বত্র খোঁজ চলছে। বাংলাদেশি ওই যুবককে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট ভাইরালও হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, ওই যুবকের বাবা হলেন সৈয়দ আবদুল্লাহ খালেদ। তিনি বাংলাদেশের একজন নামী ভাস্কর ও শিল্পী। তিনি বাংলাদেশ সরকারের ‘একুশে পদক’ প্রাপ্ত। তাই তাঁর ছেলে নিখোঁজ হওয়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ওই ফেসবুক পোস্টে দাবি করা হয়েছে, নিখোঁজ হওয়ার দিন তিনি মোবাইল ফোন নিয়ে বেরিয়েছিলেন। তাঁর ফোনটি একটি বাইকের সিটের উপর পড়েছিল। ফোনটি পান এক সবজি বিক্রেতা। তাঁর স্ত্রী বারবার ফোন করলে তিনি ফোন ধরেন। পরে তাঁর স্ত্রীকে ফোনটি ফেরতও দিয়েছেন। পুলিশ খোঁজ শুরু করেছে।