• ‘বিচারাধীন’ প্রার্থীদের নিয়ে উদ্বিগ্ন, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির দ্বারস্থ তৃণমূল
    বর্তমান | ২৮ মার্চ ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দলের ১১ জন প্রার্থী ‘বিচারাধীন’ তালিকায়। প্রথম অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ হলেও তাঁদের ভবিষ্যৎ কী? তা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। বিষয়টি নিয়ে এবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির দ্বারস্থ হল তৃণমূল কংগ্রেস। শুক্রবার রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য প্রধান বিচারপতিকে তিন পাতার একটি চিঠি ইমেল করেছেন। বিচারাধীন তালিকায় রয়েছেন তৃণমূলের উত্তর দিনাজপুরের গোয়ালপোখর, মালদহের মোথাবাড়ি, মুর্শিদাবাদের সমশেরগঞ্জ, লালগোলা, নওদা, কলকাতার শ্যামপুকুর, হুগলির চণ্ডীতলা, উত্তরপাড়া, উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা এবং বীরভূমের হাসনের প্রার্থীরা। আছেন শ্যামপুকুরের প্রার্থী মন্ত্রী শশী পাঁজাও। এই ১১টি কেন্দ্রের প্রার্থীদের এপিক নম্বর-সহ পৃথক একটি তালিকাও যুক্ত করা হয়েছে চিঠিতে। এর মধ্যে ছয়টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ প্রথম দফায় এবং বাকি পাঁচটি কেন্দ্রে দ্বিতীয় দফায়। যেহেতু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিই ‘বিচারাধীন’ তালিকা নিষ্পত্তির তত্ত্বাবধায়ক, তাই বিষয়টি নিয়ে তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে তৃণমূল। উপর্যুক্ত ১১ জন প্রার্থীর ভবিষ্যৎ কী, চিঠিতে তা স্পষ্ট করার দাবি জানানোর পাশাপাশি তালিকার দৈনিক নিষ্পত্তির তথ্য প্রকাশেরও দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া কেন নাম বাদ যাচ্ছে, আরজি জানানো হয়েছে, তার কারণও প্রকাশ্যে আনার। এছাড়া যাঁদের নাম বাদ পড়ছে, তাঁদের আবেদন জানাবার প্রক্রিয়া সহজ করার দাবি জানানো হয়েছে। তাঁদের দাবি, ইসিআইএনইটি পোর্টালে আবেদন করার সংস্থান রাখতে হবে। বাদ পড়াদের আবেদন জানাবার প্রক্রিয়ায় বিএলএ-দের যুক্ত করার আরজিও রয়েছে তৃণমূলের চিঠিতে। যদিও রাতের দিকে জানা গিয়েছে, দ্বিতীয় দফার সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় নাম উঠেছে বীরভূমের হাসন কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী কাজল শেখের। অন্যদিকে, তৃণমূলের তরফে প্রতিটি জেলার জন্য বিধানসভা ভিত্তিক নির্বাচনি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
  • Link to this news (বর্তমান)