• যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেও ঢালাও ভোটের ডিউটি, প্রতিবাদে শিক্ষকরা
    বর্তমান | ২৮ মার্চ ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে চাকরি গিয়েছে। কেউ ফের পরীক্ষা দিয়ে কাউন্সেলিং বা ইন্টারভিউয়ে ডাক পেয়েছেন। কেউ আবার তাও পাননি। তা সত্ত্বেও ভোটের ডিউটি এসেছে এমন অধিকাংশ শিক্ষকেরই! এই শিক্ষকদের বক্তব্য, চাকরির যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হলেও কাজ করিয়ে নেওয়ার সময় সেসব ভাবা হচ্ছে না। ভোটের ডিউটির ট্রেনিংয়ের চিঠি পাওয়ার পর তাঁরা ফের বিচারের দাবিতে সরব হয়েছেন। যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকা অধিকার মঞ্চের তরফে রাকেশ আলমের দাবি, উচ্চ মাধ্যমিক স্তরেই ১৪০০ শিক্ষক ‘কাট অফে’ উত্তীর্ণ না হতে পেরে চাকরি হারাতে বসেছেন। অনেকে ওয়েটিং লিস্টে থাকলেও তাঁরা ডাক পাবেন না। মাধ্যমিক স্তরেও অন্তত ১০০০ শিক্ষক কম নম্বর পাওয়ার জন্য চাকরি পাবেন না। সব মিলিয়ে এমন শিক্ষকের সংখ্যা হাজার তিনেকের আশপাশে। এঁদের চাকরি রয়েছে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। তা সত্ত্বেও অনেকেরই ভোটের ডিউটি এসেছে। এমনকি, যাঁরা দ্বিতীয়বার দেওয়া চাকরির পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন, কিন্তু এখনও পুনর্নিয়োগ পাননি, ডিউটি এসেছে তাঁদেরও। চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধির ভিত্তিতেই তাঁরা এখনও কর্মরত। এমন শিক্ষকদের ৯৫ শতাংশের ভোটের ডিউটি এসেছে। এই অবস্থায় তাঁদের প্রশ্ন, যাঁরা আদালতের চোখে অযোগ্য, তাঁদের নির্বাচন কমিশন কীভাবে ডিউটিতে যেতে বাধ্য করছে? তাই ভোটের ডিউটিতে যেতে নারাজ অধিকাংশ ‘যোগ্য ও চাকরিহারা’ শিক্ষক।

    এদিকে, বহু বিশেষভাবে সক্ষম শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর ভোটের ডিউটি আসার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার কমিশনের অফিসে ৪৫ জন বিশেষভাবে সক্ষম ভোটকর্মীর তালিকা দিয়ে এসেছে শিক্ষানুরাগী ঐক্যমঞ্চ নামে একটি সংগঠন। তাদের সাধারণ সম্পাদক কিঙ্কর অধিকারীর দাবি, কমিশন খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। 
  • Link to this news (বর্তমান)