• ভোটের আগে ‘নজিরবিহীন’ রদবদলেই বিপত্তি? অশান্তির ঘটনায় এক্স হ্যান্ডলে প্রশ্ন তুললেন অভিষেক
    এই সময় | ২৮ মার্চ ২০২৬
  • রামনবমীর দিন রাজ্যের বেশ কিছু জেলায় অশান্তির খবর উঠে এসেছে। প্রশাসনিক তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে। রাজ্যে নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পরে প্রশাসনের একাধিক আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। তার পরেও কেন অশান্তির ঘটনা ঘটেছে? এক্স হ্যান্ডলে অশান্তির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে সেই প্রশ্ন তুললেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

    এ দিন এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্টে অভিষেক লেখেন, ‘নির্বাচনের ঘোষণা হওয়ার ঠিক পরেই নির্বাচন কমিশন ব্যাপক প্রশাসনিক রদবদল শুরু করে— যার আওতায় মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, ডিজিপি, এডিজি, আইজি, এসপি, ডিএম, কলকাতা পুলিশ কমিশনার এবং এমনকি, কেএমসি (কলকাতা পুরসভা) কমিশনারকেও সরিয়ে দেওয়া হয়। এমন নজিরবিহীন হস্তক্ষেপের উদ্দেশ্য এবং সময়কাল নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠছে। এরপর যা ঘটেছে, তা আরও বেশি উদ্বেগজনক। এই রদবদলের আড়ালে ভীতিপ্রদর্শন ও সন্ত্রাসের ঘটনা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।’

    শুক্রবারই মুর্শিদাবাদে রামনবমীর মিছিলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় রঘুনাথগঞ্জ থানা এলাকায়। দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে দুই পক্ষের বেশ কয়েক জন গুরুতর জখম হয়েছেন বলে জানা যায়। বেশ কিছু জায়গায় বিএনএসএসের ১৬৩ ধারা (আগের ১৪৪ ধারা) জারি করা হয়। অভিষেক লেখেন, ‘দোকানপাট ভাঙচুর করা হচ্ছে, ধর্মের নামে উত্তেজনা উসকে দেওয়া হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগের মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। আমাদের কোনও ‘বুলডোজার মডেল’-এর প্রয়োজন নেই। আমাদের বাইরে থেকে আমদানি করা ঘৃণা ও হিংসার রাজনীতিরও কোনও প্রয়োজন নেই।’

    তৃণমূল সাংসদের দাবি, রাজ্যে বিভিন্ন উৎসব একযোগে ও ভীতিহীন ভাবে পালিত হয়। কোনও ক্ষেত্রেই কোনও হিংসার ঘটনা ঘটে না। তবে গত কয়েকদিনে চিত্রটা পাল্টেছে বলে দাবি করেন অভিষেক। তাঁর কথায়, ‘গত মাত্র কয়েকটা দিনের মধ্যেই আমরা সেই ‘পরিবর্তন’-এর এক উদ্বেগজনক ঝলক দেখতে পাচ্ছি, যা বিপ্লবীদের এই পুণ্যভূমিতে জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।’

  • Link to this news (এই সময়)