• পুর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে টিকার পরেই ফুলে গিয়েছে শিশুর পা, ‘বড়’ অভিযোগ বাবা-মায়ের
    এই সময় | ২৯ মার্চ ২০২৬
  • পুর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে টিকা দেওয়ার পরেই ফুলে গিয়েছে শিশুর পা, এমন অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল সিউড়ির ৬ নম্বর ওয়ার্ডে। পরিবারের অভিযোগ, ঠিকমতো ইঞ্জেকশন না দেওয়ায় ওই শিশু হাঁটতে পারছে না। শনিবার সকালে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিবারের সদস্যরা বিক্ষোভ দেখান স্বাস্থ্যকেন্দ্রে।

    কবে দেওয়া হয়েছিল ইঞ্জেকশন? পরিবার জানাচ্ছে তিন মাস আগে ওই শিশুকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছিল। ৯ মাসের মাথায় ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়। তারপর থেকেই ইঞ্জেকশনের জায়গা ফুলতে শুরু করে। গত তিন সপ্তাহ ধরে ওই শিশু স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে পারছে না বলে অভিযোগ পরিবারের। এখন শিশুর এক বছর বয়স। শিশুটির বাবা-মায়ের দাবি, বাইরের এক চিকিৎসকের কাছে সন্তানকে নিয়ে গিয়েছিলেন তাঁরা। সেখানে জানানো হয়েছে, ভ্যাকসিনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় এমন হয়ে থাকতে পারে। শিশুর বাঁ পায়ে থাইয়ের জায়গা ফুলে গিয়েছে।

    শিশুর মা মৌমিতা বাগের অভিযোগ, ‘যিনি ইঞ্জেকশন দিয়েছেন, তাঁর গাফিলতির জন্যই এই অবস্থা। এখন বলা হচ্ছে অপারেশন করতে হতে পারে।’ শিশুর মায়ের আরও অভিযোগ, ‘পা ফেলছে না। খেতে চাইছে না। হাঁটছেও না ঠিকঠাক। যতদিন যাচ্ছে ফুলে যাচ্ছে। তারপরে ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিলাম। সেখানেই বলল ভ্যাকসিন থেকে হয়েছে।’ ওই শিশুকে টিকা দিয়েছিলেন স্বাস্থ্যকর্মী শরমা মাহার। তিনি জানান, জাপানি এনকেফেলাইটিসের টিকা দিয়েছিলেন। তাঁর দাবি, ‘এ ধরনের সমস্যা সাধারণত সঙ্গে সঙ্গে দেখা দেয়। তবুও চিকিৎসকদের জানানো হয়েছে।’ জেলা স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তা জানিয়েছেন, এই ভ্যাকসিনের বিরল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে এমন ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। শিশুটির চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

    ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর উজ্জ্বল মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘যিনি ইঞ্জেকশন দিয়েছেন, তিনি ২০ বছর ধরে দেন। হঠাৎ করে কিছু হয়েছে নিশ্চয়ই। যদি কারও গাফিলতিতে হয়ে থাকে সেটা বের করা উচিত। সবার আগে বাচ্চাটাকে সুস্থ করতে হবে।’

  • Link to this news (এই সময়)