• ভোটের আগে কড়া নজরদারি, প্রতিটি বুথে এআই ক্যামেরা ও জিপিএস ট্র্যাকিংয়ের ব্যবস্থা
    দৈনিক স্টেটসম্যান | ২৯ মার্চ ২০২৬
  • মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল এবং নির্বাচন পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত জানান, প্রতিটি বুথেই থাকবে দু’টি করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সক্ষম ক্যামেরা, যা ৩৬০ ডিগ্রি নজরদারি চালাবে। সংবেদনশীল বুথগুলিতে বাড়তি সতর্কতা হিসেবে ভিতরে দু’টি ও বাইরে একটি অতিরিক্ত ক্যামেরা বসানো হবে। মক ভোট শুরু হওয়ার সময় থেকেই নজরদারি চালু হবে এবং তা চলবে রিটার্নিং আধিকারিক, জেলা নির্বাচন আধিকারিক এবং সিইও দপ্তরের তিন স্তরে। প্রয়োজনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার স্তর থেকেও নজরদারি করা হতে পারে।

    শুধু বুথেই নয়, গোটা নির্বাচনী প্রক্রিয়াতেই প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে। ফ্লাইং স্কোয়াড, কিউআরটি এবং ভোটকর্মীদের যানবাহনে ক্যামেরা বসানো হচ্ছে, যাতে ইভিএম ও ভিভিপ্যাট পরিবহণের প্রতিটি ধাপ নজরে রাখা যায়। ইতিমধ্যেই প্রায় ৫০ হাজার ৬০০টি গাড়িকে জিপিএস ট্র্যাকিংয়ের আওতায় আনা হয়েছে।

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যজুড়ে ৮০ হাজারেরও বেশি বুথে প্রায় ২ লক্ষ ক্যামেরা বসানো হবে। পাশাপাশি থাকবেন ২,৩৫২ জন মাইক্রো পর্যবেক্ষক এবং ৯৫৬ জন সহায়ক আধিকারিক। ইভিএম ও ভিভিপ্যাটের প্রথম স্তরের পরীক্ষাও ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে, যেখানে প্রায় ৩ লক্ষ ইউনিট পরীক্ষা করা হয়েছে।

    ভোটের দিন বুথে মোবাইল ব্যবহারে কড়াকড়ি থাকছে—শুধুমাত্র প্রিসাইডিং আধিকারিকের কাছেই ফোন রাখার অনুমতি থাকবে। বুথের ভিতরে মেশিনের কাছে ভিড় জমলেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ক্যামেরা থেকে সরাসরি নিয়ন্ত্রণ কক্ষে সতর্কবার্তা পৌঁছে যাবে।

    নির্বাচন কমিশনের দাবি, কোনওরকম অনিয়ম রুখতেই এই উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে, যাতে ভোট প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ থাকে।
  • Link to this news (দৈনিক স্টেটসম্যান)