Big Breaking: বকেয়া ডিএ দেওয়া নিয়ে আগের বিজ্ঞপ্তিতে সামান্য পরিবর্তন করল রাজ্য সরকারের অর্থ দপ্তর। ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত যত অঙ্কের বকেয়া ডিএ রয়েছে, তা একেবারে দিয়ে দেওয়া হবে। ৩১ মার্চের মধ্যে ওই বকেয়া ডিএ প্রাপকদের অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে বলে জানানো হয়েছে। চাকরিরত কর্মী, অবসরপ্রাপ্ত কর্মী অথবা ফ্যামিলি পেনশন যাঁরা পান, তাঁদের সবাই এই সুবিধা পাবেন।
২০১৬ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত বকেয়া ডিএ একেবারে মিটিয়ে দেওয়ার ঘোষণা করল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার।
আগে দুই কিস্তিতে এই ডিএ দেওয়ার কথা ছিল। সেটা বদল করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় গোটাটাই একসঙ্গে দেওয়া হবে। জানা গিয়েছে, গ্রুপ এ, বি ও সি-এর কর্মীদের বকেয়া ডিএ জিপিএফ অ্যাকাউন্টে ঢুকবে। গ্রুপ ডি এবং পেনশনভোগীদের ডিএ তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে যাবে।
রাজ্য সরকার ডিএ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরে অর্থ দপ্তর গত সপ্তাহে একটি পোর্টাল চালু করে। সেই পোর্টাল থেকে সরকারি কর্মচারীরা নিজেদের প্রাপ্য বকেয়া ডিএ-র অঙ্ক জেনে নিতে পারবেন, এমনটা বলা হয়েছে। ২০১৬–র জানুয়ারি থেকে ২০১৯–এর ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া ডিএ-র হিসেব পোর্টালে আপলোড করা হয়েছে। তবে সরকারি কর্মচারী সংগঠনগুলির একাংশের অভিযোগ, ডিএ দেওয়ার ক্ষেত্রে পদ্ধতি এবং টাকার অঙ্ক নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। এরই মধ্যে অর্থ দপ্তরের অ্যাকাউন্টস ব্রাঞ্চ শনিবার ও রবিবার খোলা থাকার কথা বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছিল। স্বরাষ্ট্র দপ্তরও (হোম অ্যান্ড হিল অ্যাফেয়ার্স) ডিএ বকেয়া সংক্রান্ত কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে অ্যাকাউন্টস ব্রাঞ্চ শনিবার ও রবিবার খোলা রাখার বিশেষ নির্দেশ জারি করেছে।