• RG Kar হাসপাতালের সেই জরুরি বিভাগ খোলার মুখে, ২৫টি বেড চালুর ভাবনা
    এই সময় | ২৯ মার্চ ২০২৬
  • এই সময়: আর হচ্ছে, হবে নয়। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ সংস্কারের কাজ শুরু হয়ে গেল। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা ওই জরুরি বিভাগ সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০ এপ্রিল রোগীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে বলে হাসপাতাল সূত্রের খবর। ওই ওয়ার্ডে এ বার থাকবে ২৫টি বেড। গত বুধবার, ২৫ মার্চ পূর্ত দপ্তর ও স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকদের যৌথ পরিদর্শনের পরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২০২৪–এর ৯ অগস্ট আরজি করে এক তরুণী চিকিৎসক–ছাত্রীকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার সুবিচার চেয়ে আন্দোলন শুরু হয়। চিকিৎসকরা কর্মবিরতির ডাক দেন এবং তার জেরে ১৪ অগস্ট রাতে আরজি কর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভাঙচুর হয়। সেই ইস্তক কার্যত তালাবন্ধ ছিল আরজি করের জরুরি বিভাগ। জরুরি বিভাগ চলছে ট্রমা কেয়ার সেন্টারে, কিন্তু অতিরিক্ত রোগীর চাপে চিকিৎসা পরিষেবা সেখানে ব্যাহত হচ্ছে, এমনটা অভিযোগ।

    হাসপাতাল সূত্রের খবর, নতুন সাজে জরুরি বিভাগ খুললে প্রথম দফায় ১৫টি জরুরি বেড এবং ১০টি অবজ়ার্ভেশন বেড চালুর পরিকল্পনা করা হয়েছে। ওই বন্ধ জরুরি বিভাগ থেকে এখন চলছে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ। তবে সংস্কারে খরচ কত হবে, সেটা এখনই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলতে পারছেন না। তাঁদের বক্তব্য, ভাঙচুরের ফলে বহু দামি যন্ত্রপাতি বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে। সেগুলির অবস্থা এখন কেমন, সেটা পরীক্ষা করে বোঝার পরেই পাওয়া যাবে খরচের চূড়ান্ত হিসেব। প্রাথমিক ভাবে অনুমান করা হচ্ছে, কেবল মেশিন চালু করতেই খরচ হতে পারে ৫০ থেকে ৬০ লক্ষ টাকা, সব মিলিয়ে প্রায় এক কোটি টাকা খরচ হতে পারে জরুরি বিভাগের সংস্কারে।

    আরজি করের ট্রমা কেয়ার সেন্টারে সম্প্রতি লিফট–বিপর্যয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হাসপাতালের পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। রোগীদের তো বটেই, ক্ষোভ প্রকাশ করেন চিকিৎসকরাও। তার ফলেই পুরোনো জরুরি বিভাগটি দ্রুত চালুর জন্য পদক্ষেপ করা হলো বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু সংস্কারের কাজ শুরু করতে কেন ১৯ মাস সময় লাগল? হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, আইনি জটিলতা কাটাতে ও বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থার ছাড়পত্র পেতে দীর্ঘ সময় লেগেছে।

  • Link to this news (এই সময়)