সংবাদদাতা, বনগাঁ: প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই পুরোদমে প্রচারে নেমে পড়েছেন বাগদার তৃণমূল প্রার্থী মধুপর্ণা ঠাকুর। বহিরাগত তকমা ঘোচাতে প্রচারে খামতি রাখতে নারাজ তিনি। তাই বিধানসভা এলাকার প্রতিটি কোণে কোণে পৌঁছে যাচ্ছেন। শনিবার বাগদার রণঘাট এলাকায় প্রচারে যান মধুপর্ণা। সেখানে একটি বাড়ির উঠোনে ধান শুকাচ্ছিলেন মহিলারা। তাঁদের সঙ্গে পা দিয়ে নেড়ে ধান শুকাতে নেমে পড়েন প্রার্থী। মধুপর্ণা ঠাকুর বলেন, ভোট ঘোষণার আগে থেকেই আমি বাগদার বাসিন্দাদের সঙ্গে আছি। এদিন প্রচারে বেরিয়ে গ্রাম বাংলার মায়েদের দেখে আমিও তাঁদের সঙ্গে ধান নেড়ে দিলাম। এটাই তো গ্রাম বাংলার সংস্কৃতি।
এদিন ডহরপোতা, কুলিয়া সহ একাধিক এলাকায় বাসিন্দাদের সঙ্গে জনসংযোগ করেন তৃণমূল প্রার্থী। এদিকে, ভোট ঘোষণা হলেও এখনও বাগদায় প্রার্থী ঘোষণা করতে পারেনি বিজেপি। শনিবার বিকাল পর্যন্ত প্রার্থী ঘোষণা না হওয়ায় বিজেপি কর্মীদের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। এবিষয়ে তৃণমূল প্রার্থী মধুপর্ণা ঠাকুর বলেন, বাগদায় বিজেপির পায়ের তলায় মাটি নেই। ওরা সেটা বুঝতেও পারছে। তার উপর গোষ্ঠীকোন্দলে জেরবার। সে কারণে এখনও প্রার্থী ঘোষণা করতে পারেনি।
অন্যদিকে, প্রচারে কর্মীদের নিয়ে প্রস্তুতি সভায় জোর দিয়েছেন বনগাঁ উত্তরের তৃণমূল প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাস। শনিবার গোপালনগর-২ অঞ্চল পোলতায় বুথ কর্মীদের নিয়ে নির্বাচনি প্রস্তুতি সভা করেন তিনি। প্রচারে জোর দিয়েছেন গাইঘাটা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী নরোত্তম বিশ্বাসও। শনিবার ধরমপুর ১ নম্বর পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকায় প্রচার করেন তিনি। কথা বলেন স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে। এদিন রক্ষাকালী পুজো উপলক্ষ্যে এলাকার বাসিন্দারা বনভোজনের আয়োজন করেছিলেন। সেখানে গ্রামবাসীদের সঙ্গে বসে খাওয়া দাওয়া করেন প্রার্থী। এছাড়া এদিন সকাল থেকেই এলাকায় প্রচার শুরু করেন বনগাঁ দক্ষিণের তৃণমূল প্রার্থী ঋতুপর্ণা আঢ্য।