• ভোটের ইস্যু পরিবেশও! বিজেপিহীন সভায় এক সুর সিপিএম-তৃণমূলের
    বর্তমান | ২৯ মার্চ ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পরিবেশ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো কী ভাবছে? নির্বাচনি ইস্তাহারে পরিবেশ সংক্রান্ত বিষয়গুলি থাকলেও তা কি আদৌ বাস্তবায়িত হয়? পরিবেশবিদ, পরিবেশকর্মী, চিকিত্সক থেকে বিশিষ্ট মানুষজনের এমন সব প্রশ্নের মুখে পড়তে হল রাজনীতিবিদদের। শনিবার দুপুরে প্রেস ক্লাবে ‘পলিটিক্স মিটস পরিবেশ’ শীর্ষক একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। উদ্যোক্তারা জানান, বিজেপিকে আমন্ত্রণ জানালেও তারা আসেনি। তবে তৃণমূল, সিপিএম, কংগ্রেসের মতো দলগুলির প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। 

    ছিলেন তৃণমূল নেতা, মেয়র পারিষদ তথা রাসবিহারীর প্রার্থী দেবাশিস কুমার। তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্যসাথী হওয়ার ফলে অনেক মানুষ উপকৃত হয়েছেন। পরিবেশকে স্বাস্থ্য থেকে আলাদা করা যাবে না। আমাদের আরও অনেক কাজ করতে হবে। তবে আমরা সদর্থক দিকে এগনোর চেষ্টা করছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘মালদহ-মুর্শিদাবাদে নদী ভাঙনের কথা আমাদের ইস্তাহারে আছে।’ পাশাপাশি, ইলেকট্রিক পরিবহণ, সোলার পার্কের কথাও বলেন তিনি। দাবি করেন, ২০১১ সালের পর থেকে অন্তত কলকাতায় পুকুর ভরাট অনেক কমেছে। প্রার্থীর দিকে প্রশ্ন আসে, বারবার পরিবেশমন্ত্রী বদলানো হয় কেন? দেবাশিসবাবু বলেন, ‘অর্থমন্ত্রীকে এখন পরিবেশ দপ্তর দেওয়া হয়েছে। অর্থাত্, গুরুত্ব বাড়ছে।’ ছিলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। তিনি বলেন, ‘বামপন্থা পরিবেশ বাদ দিয়ে হয় না। পরিবেশের রাজনীতি, রাজনীতির পরিবেশের উপর নির্ভর করে। সরকারে থাক বা বিরোধী অবস্থানে—বামপন্থীরা সারা বছর পরিবেশের কথা ভাবে। পরিবেশ নষ্ট করা হয় মুনাফার খিদেতে।’ তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে, জল-জমি-জঙ্গল রক্ষার কথা। পরিবেশবান্ধব ট্রাম তুলে দেওয়ার বিরুদ্ধেও সরব হন তিনি। 

    আলোচনায় উপস্থিত হয়েছিলেন তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা তথা বালিগঞ্জ কেন্দ্রের প্রার্থী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু প্রচার থাকার কারণে তিনি বক্তব্য রাখতে পারেননি। বক্তব্য রাখেন কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য, আরএসপি নেতা মনোজ ভট্টাচার্য, সিপিআই(এমএল) লিবারেশনের মলয় তিওয়ারি প্রমুখ।   
  • Link to this news (বর্তমান)