• ভোট-উৎসবে মিলছে বাড়তি বায়না, খুশি উলুবেড়িয়ার ঢাকিরা
    বর্তমান | ২৯ মার্চ ২০২৬
  • সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: উৎসবের মরসুম শেষ হয়ে গেলেও ঢাকিদের বাজার চাঙ্গা আছে। কারণ, এখন বঙ্গে ভোট উৎসব। পুজো মণ্ডপে ঢাক বাজানোর পর এখন নির্বাচনের প্রচারের জন্য ডাক পড়ছে ঢাকিদের। ফলে ভোট উৎসবে হাসি ফুটছে তাঁদের মুখে। 

    দুর্গা-কালী পুজো থেকে রামনবমী পর্যন্ত বিভিন্ন উৎসবে উলুবেড়িয়ার ধুলাসিমলার ঢাকিদের ডাক পড়ে। সাধারণত এই মরসুম শেষ হয়ে যাওয়ার পর আগামী বছরের দুর্গাপুজো পর্যন্ত তাঁদের সেভাবে বায়না থাকে না। তবে এবছর অন্যরকম। সামনে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। ফলে রামনবমীর পরও ঢাকিদের বাজার চাঙ্গা আছে। প্রচারের জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাদের বায়না করে। ফলে চলতি বছর এই এলাকার ঢাকিদের চাহিদা বেড়েছে। ধুলাসিমলার তরুণ রুইদাস বলেন, এটি আমাদের কাছে বিশেষ বছর। কারণ সামনেই ভোট। উৎসবের মরসুম শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও নির্বাচনের প্রচারে আমাদের ডাক পড়ছে। ১ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত উপার্জন হয়। কিন্তু উৎসব শেষ হয়ে গেলে আমাদের উপার্জন তলানিতে ঠেকে যায়। অন্যান্য বছর এইসময় খুব কষ্টের মধ্যে থাকতে হয়। কিন্তু এবছর ভোট থাকায় সেই কষ্ট লাঘব হবে। এলাকার অন্যান্য ঢাকিদের বক্তব্য, দুর্গাপুজোর আগে এই ভোট উৎসব আমাদের অনেক পরিবারের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। হাওড়া গ্রামীণ জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি দেবাশীষ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, প্রচারে ঢাকের বাদ্য অন্য মাত্রা যোগ করে। ভোটারদের কাছে প্রচার আরও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। ফলে ঢাকিদের বায়না করতে হয়। ভোট যত এগিয়ে আসবে তত চাহিদা বাড়বে। বিজেপির হাওড়া গ্রামীণ জেলার সাধারণ সম্পাদক রমেশ সাঁধুখা বলেন, প্রচারে ঢাকের বাজনা ভোটারদের বেশি আকর্ষণ করে। সেই কারণে প্রচারে ঢাকিদের বায়না করা হয়। কংগ্রেস নেতা তাপস কোদালী জানান, প্রচারে ঢাকের বাজনা কর্মীদের উৎসাহ বৃদ্ধি করে। সেই কারণে ঢাকিদের সঙ্গে নিয়েই প্রচার করা হয়। 
  • Link to this news (বর্তমান)