ভোটাররা অনলাইনে আবেদন করতে চাইলে কমিশনের সরকারি ওয়েবসাইটে eci.gov.in গিয়ে “সাবমিট অ্যাপ্লাই ফর ইন্ডিভিউজাল ( আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন)” অপশনে ক্লিক করতে হবে। এরপর মোবাইল নম্বর বা এপিক নম্বর ব্যবহার করে লগ-ইন করে আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে।
সেখানে ভোটারের সম্পূর্ণ ঠিকানা (পিনকোডসহ ২৫০ শব্দের মধ্যে), আপিলের সংক্ষিপ্ত বিবরণ (১০০০ শব্দের মধ্যে) এবং আবেদন করার কারণ (৫০০ শব্দের মধ্যে) উল্লেখ করে জমা দিতে হবে। অনলাইনের পাশাপাশি অফলাইনেও আবেদন করা যাবে—জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক বা মহকুমা শাসকের দপ্তরে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দিয়ে।
এই প্রক্রিয়াকে কার্যকর করতে ইতিমধ্যেই ২৩টি জেলার জন্য ১৯ জন প্রাক্তন বিচারপতি ও বিচারকদের নিয়ে ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়েছে। খুব শীঘ্রই এই ট্রাইবুনালগুলির কাজ শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে।
এদিকে, তৃতীয় সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে প্রতিদিন নতুন অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশের কাজও শুরু হয়েছে। তৃতীয় তালিকায় দুই লক্ষের বেশি নতুন নাম যুক্ত হয়েছে বলে খবর। রবিবার চতুর্থ তালিকা প্রকাশ হওয়ার কথাও রয়েছে।
তবে চূড়ান্ত তালিকা নিয়ে এখনও স্পষ্ট তথ্য সামনে আসেনি। দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি তালিকার ক্ষেত্রে প্রায় ৪৫ শতাংশ নাম বাদ পড়েছে বলে জানা গিয়েছে, যা সংখ্যায় প্রায় ১৪ লক্ষ। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ মহিলা ও সংখ্যালঘু ভোটার। তৃতীয় তালিকার ক্ষেত্রেও বিস্তারিত পরিসংখ্যান এখনও অস্পষ্ট।
তবে সুপ্রিম কোর্টে এবং কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে কমিশন ইতিমধ্যেই ট্রাইবুনালের মাধ্যমে আপিল প্রক্রিয়া চালু করেছে, যা বাদ পড়া ভোটারদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।ন