• সেই বিধানসভার লড়াইয়ে প্রত্যাবর্তন, বহরমপুর থেকে জিতে 'ফেরার' চেষ্টা অধীরের
    আজ তক | ৩০ মার্চ ২০২৬
  • বিধানসভার লড়াইয়ে অধীররঞ্জন চৌধুরি(Adhir Ranjan Chowdhury)। বহরমপুর কেন্দ্র থেকে তাঁকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে কংগ্রেস। লোকসভা ভোটে পরাজয়ের পর এ বার রাজ্য রাজনীতির ময়দানে নতুন করে লড়াই শুরু করতে চলেছেন তিনি।

    এরপর ১৯৯৯ সালে বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে জিতে জাতীয় রাজনীতিতে প্রবেশ। টানা ২৫ বছর, অর্থাৎ ১৯৯৯ থেকে ২০২৪; এই দীর্ঘ সময়ে বহরমপুরের সাংসদ ছিলেন তিনি। এই সময়েই তিনি কংগ্রেসের অন্যতম মুখ হয়ে ওঠেন।

    দিল্লির রাজনীতি থেকে বাংলার মাটিতে
    অধীররঞ্জন চৌধুরী শুধু সাংসদই নন, জাতীয় স্তরেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। ২০১২ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিনি কেন্দ্রীয় রেল প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। পরবর্তী সময়ে ২০১৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত লোকসভায় কংগ্রেসের নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবেও কাজ করেছেন।

    পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সভাপতি হিসেবেও দু’দফায় দায়িত্বে ছিলেন। মুর্শিদাবাদ জেলায় কংগ্রেস সংগঠন শক্তিশালী করার পিছনে তাঁর বড় ভূমিকা রয়েছে বলেই মনে করে রাজনৈতিক মহল।

    ২০২৪-এর ধাক্কা 
    ২০২৪-এর লোকসভা ভোটে বড় ধাক্কা খেতে হয় অধীরকে। তৃণমূল প্রার্থী ইউসুফ পাঠানের(Yusuf Pathan) কাছে ৮৫ হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত হন। এই পরাজয়ের পরই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকেও ইস্তফা দেন।

    সেই পরাজয়ের পর অনেকেই মনে করেছিলেন, অধীররঞ্জনের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ হয়তো অনিশ্চিত। কিন্তু ২০২৬ বিধানসভা ভোটে প্রার্থী হয়ে ফের একবার ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিলেন।

    বহরমপুরে 
    বহরমপুর দীর্ঘদিন ধরেই কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। সেই জায়গা থেকেই আবার লড়াই শুরু করছেন অধীর। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মুর্শিদাবাদে কংগ্রেসের ভোটব্যাঙ্ক ধরে রাখতে তাঁর অভিজ্ঞতা বড় ভূমিকা নিতে পারে।

    লোকসভা ভোটের পরাজয়ের ক্ষত কাটিয়ে তিনি কি বিধানসভা ভোটে ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন? নাকি রাজ্যের পরিবর্তিত রাজনৈতিক সমীকরণ তাঁর চলার পথ আরও কঠিন করে তুলবে? তার উত্তর সময়ই দেবে। 
  • Link to this news (আজ তক)