কোথায় রিপোল, ঠিক হবে মাইক্রো অবজার্ভারদের পেনের এক খোঁচায়
বর্তমান | ৩০ মার্চ ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যে এসআইআর পর্বে মাইক্রো অবজার্ভারদের চূড়ান্ত ক্ষমতা দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন! ফল? রাজ্যে দেড় কোটি মানুষের নাম চলে গিয়েছিল লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি বা ‘সন্দেহজনক’ তালিকায়। তার মধ্যে থেকে শেষ পর্যন্ত ৬০ লক্ষেরও বেশি ভোটার হয়ে গিয়েছেন ‘বিচারাধীন’। আর এবার ভোটের পালা। সূত্রের খবর, রাজ্যের কোন কোন আসনে পুনর্নির্বাচন হবে, তা ঠিক হবে মাইক্রো অবজার্ভারদের পেনের এক খোঁচাতেই!
বিগত ভোটগুলিতে পুনর্নির্বাচনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট গাইডলাইন ছিল। সেখানে প্রিসাইডিং অফিসারের পূরণ করে দেওয়া ১৭এ ফর্ম এবং প্রিসাইডিং অফিসারের ডায়েরিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। এই দু’টি ক্ষেত্র খতিয়ে দেখে কোথাও গোলযোগ মনে হলে স্ক্রুটিনির পর সেই বুথে পুনর্নির্বাচন ঘোষণা করা হত। এবার সেই নিয়মে বড়োসড়ো বদল এসেছে। সূত্রের খবর, আসন্ন বিধানসভা ভোটে মাইক্রো অবজারর্ভার তাঁর জন্য নির্দিষ্ট বুথ সংক্রান্ত কোনো বিরূপ রিপোর্ট দিলেই সেই বুথ চলে আসবে রিপোলের আওতায়। শুধু তাই নয়, রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়াল ও ভোটে নিযুক্ত বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত জানিয়েছেন, এবার বুথের বাইরের অশান্তিতেও নজর রাখা হবে। যদি কোনো ব্যক্তি ভোটদানে বাধা পান, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বুথ ‘ক্যাপচার’ করা হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হবে। এবং সেই বুথে পুনর্নির্বাচন হবে। সেই সিদ্ধান্ত কে নেবেন? মাইক্রো অবজার্ভাররা। সুব্রত গুপ্ত জানিয়েছেন, কন্ট্রোল রুমে বসে একসঙ্গে ১২ থেকে ১৬টি বুথের নজরদারি করবেন দু’জন করে মাইক্রো অবজার্ভার। একটি বুথের আওতায় যতটা এলাকা, সবটা নজরদারির দায়িত্ব থাকবে তাঁদের। স্বাভাবিকভাবেই তাই কন্ট্রোলরুমে বসে থাকা মাইক্রো অবজার্ভারদের রিপোর্টের উপর নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট বুথের ভাগ্য। বিশেষজ্ঞদের দাবি, ভোটেও মাইক্রো অবজার্ভাররা বিপুল ক্ষমতা পাওয়ায় এবার রাজ্যে পুনর্নির্বাচনের সংখ্যা অনেকটাই বাড়বে।