এই সময়: প্রয়াত রাজ্য–সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) উত্তরাধিকারীদের দেওয়া নিয়ে নতুন করে জটিলতা তৈরি হয়েছে। অনেক সরকারি কর্মচারী মারা গিয়েছেন। প্রয়াত হয়েছেন তাঁদের স্ত্রীরাও। ফলে ফ্যামিলি পেনশন বন্ধ। এই প্রয়াত সরকারি কর্মীদের উত্তরাধিকারীদের বকেয়া টাকা তুলে দেওয়ার কথা আগেই জানিয়েছিল রাজ্য সরকার।
তবে, কী ভাবে তাঁরা সেই টাকা পাবেন, কোন নথি, কোথায় জমা দিতে হবে—এর কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না। ট্রেজ়ারিগুলিও সেই তথ্য জানে না। বহু সরকারি কর্মী জেলায় কর্মরত ছিলেন। তাঁদের ট্রেজ়ারির মাধ্যমেই টাকা পাওয়ার কথা। একই সঙ্গে ২০১৬–র জানুয়ারি থেকে ২০১৯-এর ডিসেম্বরের মধ্যে কোনও রাজ্য সরকারি কর্মচারী অবসর নিলে বা তাঁর জিপিএফ অ্যাকাউন্ট ক্লোজ়ড হলে বাকি টাকা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে যাওয়ার নির্দেশও রয়েছে।
কেউ ওই সময়ের মধ্যে প্রয়াত হলে ও কোনও ফ্যামিলি পেনশনার না থাকলে তখন আইনগত উত্তরাধিকারীকে সার্টিফিকেটের সুবাদে টাকা মেটানোর বার্তাও রয়েছে। তবে সেই টাকা পাওয়ার জন্য কী নথি পেশ করতে হবে তা এখনও পরিষ্কার করে জানানো হয়নি। যেমন জানা যায়নি, শিক্ষক, পঞ্চায়েত কর্মী থেকে পুরসভায় কাজ করা রাজ্য সরকার পোষিত বা অধিগৃহীত বিপুল অংশের কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ পাওয়ার প্রক্রিয়া কবে শুরু হবে। অথচ, ৩১ মার্চের মধ্যে বকেয়া ডিএ–র প্রথম কিস্তির টাকা মিটিয়ে দেওয়া হবে—এমনটাই সরকারি নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে।