দিল্লি হাইকোর্ট, দিল্লি বিধানসভা, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান ও বহু স্কুল বোমা মেরে ওড়ানোর হুমকি দেওয়ার অভিযোগে কর্নাটকের মাইসুরু থেকে গ্রেপ্তার বেঙ্গালুরুর এক বাসিন্দা। পুলিশের অভিযোগ, ই-মেল মারফত অন্তত ১১০০ হুমকি-বার্তা পাঠিয়েছেন শ্রীনিবাস লুইস নামে ৪৭ বছর বয়সি ওই ব্যক্তি।
পুলিশ জানিয়েছে, বোমা রাখার হুমকি মেল আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানে আসতেই সব জায়গা থেকে লোকজন ও পড়ুয়াদের সরিয়ে জোরদার তল্লাশি চালানো হতো। বম্ব স্কোয়াড ও স্নিফার ডগ নিয়ে গিয়ে তন্ন তন্ন তল্লাশি চালানো হতো বোমা খুঁজতে। কিন্তু বোমা মিলত না।
পুলিশ জানায়, লুইস পোস্ট গ্র্যাজুয়েট। তিনি বর্তমানে বেকার। তিনি তাঁর মায়ের সঙ্গে থাকেন। তাঁর মা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মী।
সম্প্রতি দিল্লি হাইকোর্ট, দিল্লি বিধানসভা, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান ও বহু স্কুল বোমা মেরে ওড়ানোর হুমকি দিয়ে ই-মেল পাঠানো হয়। তার তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, মাইসুরু থেকে ওই সব ই-মেল পাঠানো হয়েছিল। ই-মেলে কখনও বোমা বিস্ফোরণের সময় উল্লেখ করা থাকত, কখনও সরকারি প্রতিষ্ঠানে বোমা রাখা রয়েছে বলে উল্লেখ থাকত। আবার কখনও বলা হতো, যে কোনও সময় বোমা বিস্ফোরণ হতে পারে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, শনিবার মাইসুরুর একটি ভাড়া বাড়ি থেকে দিল্লি পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল গ্রেপ্তার করে লুইসকে।
লুইসকে জেরা করে প্রাথমিক ভাবে তদন্তকারীরা মনে করছেন মানসিক হতাশা থেকেই বোমা রাখার উড়ো হুমকি দিতেন তিনি। পুলিশের দাবি, জেরায় লুইস স্বীকার করেছেন, দিল্লি-সহ দেশের একাধিক রাজ্যে তিনি গত কয়েক মাসে অন্তত ১১০০ উড়ো ই-মেল পাঠিয়েছেন।