এই সময়, বর্ধমান: দলীয় কর্মীদের নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে দেওয়া ভোকাল টনিক নিয়ে শুরু বিতর্ক।
শনিবার বিকেলে বর্ধমান–১ ব্লকের বেলকাশ অঞ্চলে বর্ধমান উত্তর বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী নিশীথকুমার মালিকের সমর্থনে হয় এই কর্মী বৈঠক। সেখানে পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি গার্গী নাহা বলেন, ‘এই নির্বাচন বৈতরণী পার করতে পারলে আগামী পাঁচ বছর আমরা সবাই ভালো থাকব। সবাই করে খেতে পারব।’ বৈঠকে একই সুরে প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক নিশীথ বলেন, ‘বিধানসভা নির্বাচন হচ্ছে আমাদের অস্তিত্বের লড়াই। এই ভোট থেকেই কিন্তু সারা বছর করে খাই আমরা।’
এই বক্তৃতার ভিডিয়ো (যার সত্যতা যাচাই করেনি ‘এই সময়’) সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই একাধিক প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক মহলে। বর্ধমান উত্তরের বিজেপি প্রার্থী সঞ্জয় দাসের কটাক্ষ, ‘সহ সভাধিপতি ঠিকই বলেছেন। তৃণমূল মানেই করে খাওয়ার রাস্তা। পঞ্চায়েত প্রধান থেকে বিধায়ক— সবাই দুর্নীতিগ্রস্ত। ওরা জানে, ক্ষমতা হারালে এই সুযোগও বন্ধ হয়ে যাবে।’
যদিও জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক বাগবুল ইসলামের দাবি, ‘ওই বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। ওখানে বলা হয়েছে, বিজেপি ক্ষমতায় এলে মানুষের কাজের সুযোগ কমে যাবে।’ গার্গীর বক্তব্য, ‘কী বলতে চেয়েছি সেটা বুঝতে হবে। চার মিনিটের বক্তব্যের পুরোটা শুনতে হবে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে আমার, আপনার মতো বহু মানুষ কাজ করতে পারবেন না। নিজেরা করে খেতে না–পারলে সংসার চলবে কীভাবে? বলতে চেয়েছি, তৃণমূল ফের ক্ষমতায় এলে আমরা সবাই ভালো থাকব।’