• সেই ১৯৯৬, তারপর ২০২৬, ৩ দশক পর বিধানসভা ভোটে অধীর, সে বার কী হয়েছিল?
    আজ তক | ৩০ মার্চ ২০২৬
  • Adhir Ranjan Chowdhury: সত্তরের দশক। অশান্ত বাংলা। নকশাল আন্দোলনে(Naxalite movement) তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। ঠিক সেই সময়েই বঙ্গ রাজনীতিতে হাতেখড়ি হয় মুর্শিদাবাদের এক যুবকের। গড়ে ওঠে লড়াই, প্রতিবাদ, আন্দোলনের রাজনৈতিক চেতনা। নাম অধীররঞ্জন চৌধুরি। রাস্তায়, মিছিলে, উত্তাল সময়ের মধ্যে দিয়েই রাজনৈতিক কেরিয়ারের ভিত গড়ে তোলেন।  আর সেই অভিজ্ঞতাই তাঁকে পরবর্তী জীবনে করে তোলে অ'ধীর'।  

    ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প
    ১৯৯৬-এ আবার নবগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী হন। মাঝের পাঁচ বছরে লাগাতার জনসংযোগ, সংগঠনে মনপ্রাণ সঁপে দেন। মেলে ফলও। সেই বার ২০ হাজারের বেশি ব্যবধানে জেতেন।  

    দিল্লির মঞ্চে অধীর
    রাজ্যের গণ্ডি পেরিয়ে জাতীয় স্তরেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের(Manmohan Singh) মন্ত্রিসভায় রেল প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৯ থেকে ২০২৪; এই সময় লোকসভায় কংগ্রেসের নেতা ছিলেন। একই সঙ্গে পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবেও কাজ করেছেন।

    পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সভাপতির দায়িত্বও সামলেছেন। সোমেন্দ্রনাথ মিত্রর(Somendra Nath Mitra) মৃত্যুর পর কঠিন সময়ে দলের হাল ধরেছিলেন।

    ২০২৪-এ ধাক্কা 
    তবে রাজনীতির পথ মসৃণ হয় না। ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী ইউসুফ পাঠানের(Yusuf Pathan) কাছে বড় ব্যবধানে পরাজিত হন। এর পরপরই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদ ছাড়েন।

    বিশ্লেষকরা বলথেন, এখানেই গল্পের শেষ নয়। বরং এক নতুন অধ্যায়ের শুরু হতে চলেছে। ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে বহরমপুর থেকেই ফের লড়াইয়ে নামছেন অধীর।  

    রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, অভিজ্ঞতা, সংগঠন এবং জনসংযোগ; এই তিন শক্তিকেই ভর করে তিনি আবার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবেন। ২০২৬-এর নির্বাচন কি অধীর কাহিনীর নতুন অধ্যায় হতে চলেছে? তার উত্তর সময়ই দেবে। 
  • Link to this news (আজ তক)