পরিবারের পাশে দাঁড়াতে বাবার সঙ্গে বিড়ি বাঁধার কাজ করতেন তিনি। কঠিন পরিস্থিতির সঙ্গে লড়াই করা যেন তাঁর কাছে ছিল প্রতিদিনের স্বাভাবিক অভ্যাস। জীবনযুদ্ধের কঠোর বাস্তবতাকেও সহজভাবে মেনে নিয়েছিলেন এতদিন। কিন্তু সেই লড়াকু যুবকই হঠাৎ ভেঙে পড়লেন। অজানা কারণে থেমে গেল তাঁর লড়াই, হার মানলেন জীবনের কাছেই।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রাতের দিকে কালিয়াচকের শ্রীরামপুর এলাকার ওই যুবক বাড়ি থেকে বের হন। বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে একটি ফাঁকা মাঠে পৌঁছে তিনি বাবা-মাকে ভিডিও কল করেন। ফোনের ওপারে বাবা-মাকে রেখে আচমকাই নিজের মাথায় গুলি চালান তিনি। এই দৃশ্য দেখার পর পরিবার তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলের দিকে ছুটে যান এবং মাঠে যুবকের রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখেন।
দ্রুত তাকে উদ্ধার করে মালদহ মেডিক্যাল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে গেলে চিকিৎসকরা মৃত তাঁকে ঘোষণা করেন। যুবকের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। আত্মহত্যার কারণ তদন্ত করে দেখছে কালিয়াচক থানার পুলিশ। পাশাপাশি ওই যুবকের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র কী করে এল তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।