রাহুলের মৃত্যুতে ১ কোটি ক্ষতিপূরণ, প্রযোজনা সংস্থাকে ‘ব্ল্যাক লিস্টে’র দাবি সর্বভারতীয় সিনে সংগঠনের
প্রতিদিন | ৩০ মার্চ ২০২৬
আউটডোরে শুটিং করাকালীনই সলিল সমাধি। তালসারিতে ‘ভোলে বাবা পার করেগা’র শুটিং করতে গিয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও অভিনেতার মৃত্যুতে এখনও পর্যন্ত একাধিক প্রশ্নের উত্তর অধরা। ইউনিটের সদস্যদের বয়ানের সঙ্গে পুলিশের হাতে আসা ফুটেজে অসঙ্গতি পাওয়ায় রহস্য আরও দানা বেঁধেছে, বললেও অত্যুক্তি হয় না! এমতাবস্থায় শুটিংয়ে তারকাদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ নিয়ে প্রশ্ন তুলে সুর চড়াল অল ইন্ডিয়ান সিনে ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন। অভিযোগ, গাফিলতির কারণেই শুটিং করতে গিয়ে বেঘোরে প্রাণ হারালেন রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই প্রেক্ষিতেই প্রযোজনা সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করার দাবিতে সোচ্চার হয়েছে সংশ্লিষ্ট সংগঠন।
সোমবার অল ইন্ডিয়ান সিনে ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশনের অফিশিয়াল এক্স হ্যান্ডেলে দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপের দাবি তোলার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। সংগঠনের দাবি, “এটা নিছক দুর্ঘটনা নয়, বরং কাঠামোগত ব্যর্থতা। প্রযোজনা সংস্থার গাফিলতিতেই মৃত্যু হয়েছে অভিনেতার। আমাদের সংগঠনের তরফে একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছে যে, প্রযোজনা সংস্থা এবং চ্যানেল কর্তৃপক্ষ খরচ কমানোর জন্য প্রায়শই শিল্পীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থার সঙ্গে আপস করে থাকে। ফলত, কর্মী ও শিল্পীদের জীবন চরম ঝুঁকির মুখে পড়ে। প্রায় প্রতিবছরই ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের সিনেজগতের এহেন দুর্ঘটনা ঘটে। যেখানে অনিরাপদ কাজের পরিবেশের কারণে টেকনিশিয়ান, সাধারণ কর্মী এবং শিল্পীদের প্রাণহানি ঘটে। তবে দুর্ভাগ্যবশত, এই ধরনের ঘটনাগুলো প্রায়শই ধামাচাপা দেওয়া হয় এবং দোষীদের শাস্তির উদাহরণও অত্যন্ত বিরল। সেই প্রেক্ষিতেই রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে দোষীদের কড়া শাস্তির দাবি জানাচ্ছে অল ইন্ডিয়ান সিনে ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন।” শুধু তাই নয়, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝির কাছে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবিও তুলেছে সর্বভারতীয় সিনে ওয়ার্কাস সংগঠন।