• পেট্রোল পাম্পে ৬০ দিনের জন্য মিলবে কেরোসিন, বিজ্ঞপ্তি কেন্দ্রের
    বর্তমান | ৩০ মার্চ ২০২৬
  • নয়াদিল্লি, ৩০ মার্চ: পশ্চিম এশিয়ায় চলমান যুদ্ধের জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তার মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের বিশেষ সিদ্ধান্ত। এলপিজির বিকল্প ইন্ধন হিসেবে দেশে যাতে কেরোসিন ব্যবহার করা যেতে পারে তার জন্য আগামী দুই মাস সব পেট্রোল পাম্প থেকে কোরোসিন বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। প্রতিটি পেট্রোল পাম্পে ৫০০০ লিটার কেরোসিন মজুত রাখার যাবে বলে গতকাল রবিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায় কেন্দ্র সরকার। সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম এর আওতায় সুপিরিয়র কেরোসিন অয়েল অস্থায়ীভাবে বরাদ্দ করা হবে। আগামী ৬০ দিন পর্যন্ত বা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত বলবত্ থাকবে এমনটা জানানো হয়। দেশের ২১টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে কেরোসিন সরবরাহ করতে উদ্যোগী কেন্দ্র। যেই রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে কেরোসিনের গণবন্টন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল সেই রাজ্যগুলি থেকে ফের কেরোসিন পাওয়া যাবে এই তালিকায় আছে দিল্লি, হরিয়ানা, পাঞ্জাব, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, গোয়া, জম্মু ও কাশ্মীর, লাদাখ, আন্দামান ও নিকোবার দ্বীপপুঞ্জ, লাক্ষাদ্বীপ, চণ্ডীগড়, পুদুচেরি, দাদরা ও নগর হাভেলি এবং দমন ও দিউ, নাগাল্যান্ড ও সিকিম।

    সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রতি জেলায় সর্বোচ্চ ২টি পেট্রোল পাম্পকে কেরোসিন বিক্রির অনুমতি দেওয়া হবে, প্রতিটি পাম্পে সর্বোচ্চ ৫,০০০ লিটার পর্যন্ত কেরোসিন মজুত রাখা যাবে। এছাড়াও রেশন দোকানগুলিতেও কেরোসিন বিক্রির ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বারবার বলা হয়েছে, বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব ফেলছে। যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়ছে, যা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে। 
  • Link to this news (বর্তমান)