সূত্রের খবর, প্রার্থী বাছাই নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে রাহুল লোহার কিছুদিন ধরে প্রচার থেকে দূরে ছিলেন। সেই পরিস্থিতিতে তাঁর মান ভাঙিয়ে সক্রিয় রাজনীতিতে ফেরাতে উদ্যোগী হন গুরুং। দীর্ঘ বৈঠকের পর রাহুল লোহার জানিয়েছেন, তিনি এবার দলীয় প্রার্থীর জয়ের লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করবেন।
প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হন বিজেপির মনোজ টিগ্গা। পরে তিনি ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে সাংসদ হওয়ায় আসনটি শূন্য হয়। উপনির্বাচনে বিজেপি রাহুল লোহারকে প্রার্থী করলেও তিনি পরাজিত হন। এরপর তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়ে আবার বিজেপিতে ফিরে আসেন।
এবারের নির্বাচনে তাঁকে টিকিট না দিয়ে লক্ষ্মণ লিম্বুকে প্রার্থী করা হয়। অভিযোগ ওঠে, গুরুংয়ের প্রভাবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর জেরে রাহুল শিবিরে অসন্তোষ দেখা দেয়। বৈঠকের পর বিমল গুরুং বলেন, ‘আগের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করব।’ রাহুল লোহারও জানিয়েছেন, ‘সবাই মিলে লক্ষ্মণ লিম্বুকে জেতাতে ঝাঁপিয়ে পড়ব।’ ভোটের আগে এই সমঝোতা বিজেপির সংগঠনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।