• ‘কেউ ভোটে ঝামেলা করলে কাঁচা বাঁশ দিয়ে ঠ্যাং খোড়া করে দিতে হবে’, নয়াগ্রামের সভায় বিস্ফোরক দিলীপ
    এই সময় | ৩১ মার্চ ২০২৬
  • বিধানসভা নির্বাচনের আগে ফের চেনা মেজাজে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। সোমবার ঝাড়গ্রামের নয়াগ্রাম বিধানসভার রান্টুয়া বাজারে দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারে এসে তৃণমূলকে কড়া হুঁশিয়ারি দেন তিনি। শান্তিতে ভোট করার জন্য দলীয় কর্মীদের এখন থেকেই ‘বাঁশ ও ঠেঙা’ কেটে রাখার নির্দেশ দিলীপের।

    দিলীপের স্পষ্ট বার্তা, ‘কেউ ভোটে ঝামেলা করতে এলে কাঁচা বাঁশ দিয়ে তাঁদের ঠ্যাং খোড়া করে দিতে হবে।’ মার যেন সরাসরি ঘাড়ে লাগে, সেই নিদানও দিতে দেখা যায় এই বিজেপি প্রার্থীকে। দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    নয়াগ্রামের বিজেপি প্রার্থী অমিয় কিস্কুর সমর্থনে সভায় বক্তব্যও রাখেন দিলীপ ঘোষ। সভামঞ্চ থেকে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, এলাকায় লুটের রাজত্ব চলছে। জঙ্গল মহলে কোনও কর্মসংস্থান নেই। কাজের অভাবে যুব সমাজ ভিন রাজ্যে পাড়ি দিচ্ছে বলে দাবি করেন দিলীপ। এ ছাড়াও, এ দিন কৃষকদের দুর্দশার কথা তুলে ধরে দিলীপ জানান, গোপীবল্লভপুর এলাকায় একসময় আখ, তরমুজ ও লঙ্কার চাষ হতো যা এখন বন্ধের মুখে। আলু চাষিরাও ফসলের ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না বলে তিনি সরব হন।

    এ দিনের জনসভায় তিন প্রাক্তন পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ-সহ প্রায় ৫০০ তৃণমূল সমর্থক বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। নবাগতদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন দিলীপ ঘোষ নিজে। তবে বিজেপির এই দাবিকে আমল দিতে নারাজ স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।

    গোপীবল্লভপুর ২ নম্বর ব্লক তৃণমূল সভাপতি টিঙ্কু পাল বলেন, ‘দিলীপের সভাতেই ২০০ জন লোক ছিল না। ৫০০ জন যোগদান করবে কী করে। যাঁরা দল ছেড়েছেন তাঁরা গত তিন বছর ধরে তৃণমূলের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ রাখেননি। ফলে তাঁদের বিদায়ে দলের কোনও ক্ষতি হবে না।’

  • Link to this news (এই সময়)