• ৩০ বছর পর বিধানসভার লড়াইয়ে অধীর, বহরমপুরে জনসংযোগে আবেগে ভাসলেন সকলে
    এই সময় | ৩১ মার্চ ২০২৬
  • দীর্ঘ তিন দশক পরে ফের বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকায় নাম ফিরল অধীর চৌধুরীর। রবিবার কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকায় বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য তাঁর নাম চূড়ান্ত করেছে AICC। প্রার্থী ঘোষণার সময়ে দিল্লিতে থাকলেও, সোমবার সকালেই নিজের গড় বহরমপুরে ফিরে আসেন অধীর। এ দিন সন্ধ্যায় সরাসরি প্রচারের ময়দানে নেমে পড়েন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। বহরমপুর পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ জেনারেল হাসপাতাল মোড় পর্যন্ত হেঁটে জনসংযোগ শুরু করেন তিনি। ঘরের ছেলেকে কাছে পেয়ে এ দিন আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এলাকার বাসিন্দারা।

    এ দিন সুভাষ গান্ধী কলোনির ঢালাই রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময়ে স্থানীয় হনুমান মন্দিরে প্রণাম করেন অধীর। সেখানে তাঁর সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে আসেন একদল স্থানীয় মহিলা। এর পর কলোনি পেরিয়ে ভাগীরথীর পাড় সংলগ্ন কাজী নজরুল সরণি হয়ে তিনি পৌঁছন পুরোনো কান্দি বাসস্ট্যান্ড মোড়ে। তাঁর আসার খবর পেয়ে দলীয় কর্মী ও সাধারণ মানুষের ভিড় উপচে পড়ে। সেখানে একটি চায়ের দোকানে ঢুকে কাঁচের জার থেকে নিজে হাতে বিস্কুট বিলি করেন তিনি। এর পর মাটির ভাঁড়ে চায়ের চুমুক দিয়ে একেবারে চেনা মেজাজে ধরা দেন ‘বহরমপুরের দাদা’।

    গাড়িতে ওঠার আগে মায়ের মন্দিরে প্রণাম সেরে অধীর সোজা চলে যান কৃষ্ণনাথ কলেজ ঘাট চত্বরে। সেখানে রক্ষাকালী মন্দিরে পুজো দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে খোশগল্পে মেতে ওঠেন তিনি। যদিও এই কর্মসূচিকে ভোট প্রচার বলতে নারাজ অধীর চৌধুরী।

    অধীর বলেন, ‘নিজের শহরে ঘটা করে প্রচার করার কোনও প্রয়োজন নেই। প্রতিটি গলি তাঁর নিজের পাড়া এবং এখানকার সবাই তাঁর আপনজন।’ দলীয় কার্যালয়ে যাওয়ার পথে কর্মীদের অনুরোধেই তিনি হাঁটতে শুরু করেছিলেন। কলেজ ঘাট থেকে গাড়িতে ওঠার সময় এক মজাদার ঘটনার সাক্ষী থাকেন উপস্থিত সকলে। চায়ের কাপ হাতে এক যুবক এগিয়ে এসে তাঁকে বলেন, ‘দাদা টেনশন লেনে কা নেহি, টেনশন দেনে কা।’ যুবকের কথা শুনে হেসেই খুন হন অধীর।

  • Link to this news (এই সময়)